করোনাভাইরাসে সৃষ্ট অবস্থায় আগামী ৯ এপ্রিল পর্যন্ত সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। অনাকাঙ্ক্ষিত এ ছুটিতে মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে টেলিভিশনে পাঠদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
তবে টিভিতে পাঠদানের জন্য শুধু ভিডিও রেকর্ডিং করতেই দরকার ১৬ কোটি টাকা। সংসদ টিভিতে পাঠদান সম্প্রচার করতে কোনো ব্যয় হবে না। এছাড়া, রাজধানীর বেশকিছু নামকরা স্কুলের শিক্ষকরা দেশের এমন পরিস্থিতিতে নিজ দায়িত্বে ক্লাস রেকডিং করছেন। শুধু ভিডিও রেকর্ডিং করতেই এত বড় অঙ্কের বাজেট নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা।
ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদানের ভিডিও রেকর্ডিংয়ের জন্য ১৬ কোটি টাকার বাজেট দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর। গত সপ্তাহে মন্ত্রণালয়ের কাছে এই বাজেট চাওয়া হয়েছিল।
টিভিতে ক্লাস নেয়ার বিষয়টি দেখাশোনা করছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের কলেজ ও প্রশাসন শাখার পরিচালক অধ্যাপক মো. শাহেদুল খবির চৌধুরী। ১৬ কোটি টাকা কোন খাতে ব্যয় ধার্য করা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ড. প্রবীর কুমার ভট্টাচার্য্যের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনিও কিছু বলতে রাজি হননি। বিষয়টি নিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালকের সাথে যোগাযোগ করতে পরামর্শ দেন।
জানা যায়, শিক্ষা অধিদফতরের কিছু সুযোগ সন্ধানী ভিডিও রেকর্ডিংয়ের জন্য ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়সহ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্টুডিও ব্যবহার করছেন। যদিও রেকর্ডিংয়ের জন্য শুধু শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন ব্যানবেইসের স্টুডিও ব্যবহার করার কথা ছিল। দ্রুত কাজ করার অজুহাত দেখিয়ে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সহায়তা নেয়া হয়েছে। অথচ ঢাকার কয়েকটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে উন্নতমানের স্টুডিও রয়েছে। তবুও দু’টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে সরকারের কাজে যুক্ত করছে শিক্ষা অধিদফতরের কিছু অসাধু কর্মকর্তা।
আনন্দবাজার/তা.তা









