গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস বিভাগের অনুমোদনসহ বিদ্যমান সমস্যাবলী সমাধানে ইউজিসিতে একাধিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ জামিনুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ইউজিসির গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে মানবিক অনুষদের অধীনে ইতিহাস বিভাগ খোলার লিখিত অনুমোদন প্রদানসহ শেখ হাসিনা আইসিটি ইনস্টিটিউটের অধীন সিএসই, ইইই ও ইটিই বিভাগ এবং ইনস্টিটিউটে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের অধীন একই বিভাগের সঙ্গে একীভুত করার অনুমোদন দেওয়া হয়। এছাড়াও প্রস্তাবিত শেখ হাসিনা কৃষি ইন্সিটিউটের অধীন কৃষি লাইভস্টক সায়েন্স এন্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন এবং ফিশারিজ এন্ড বায়োসায়েন্স বিভাগ কৃষি অনুষদের অধীনস্থ হিসেবে গণ্য করা হয়। একই সঙ্গে বঙ্গবন্ধু ইনস্টিটিউট অব লিবারেশন ওয়ার এন্ড বাংলাদেশ স্টাডিজ (বিলওয়াবস), শেখ হাসিনা আইসিটি ইনস্টিটিউট ও শেখ হাসিনা কৃষি ইনস্টিটিউট শুধুমাত্র গবেষণা কার্যে ব্যবহৃত হবে। এ সকল ইনস্টিটিউট থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি প্রদান করা যাবে না। শুধুমাত্র এমফিল, পিএইচডি, সার্টিফিকেট এবং ডিপ্লোমা প্রদানের বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে ৩৪টি বিভাগের শিক্ষাকার্যক্রম চলমান রয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে কমিশনের অনুমতি সাপেক্ষে কোন অবস্থাতেই আর কোন বিভাগের কার্যক্রম শুরু করা যাবে না। একইসঙ্গে স্নাতক প্রথমবর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে কলা- মানবিক, সামাজিক বিজ্ঞান, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৬০ (ষাট) জন এবং জীববিজ্ঞান ও ইঞ্জিনিয়রিং অনুষদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৪০ (চল্লিশ) জন শিক্ষার্থী ভর্তি করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়। এদিকে, স্নাতক প্রথমবর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে আদিবাসি ও প্রতিবন্ধী কোটা ব্যতীত উপাচার্য কোটাসহ সকল কোটা রহিত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ইতিহাস বিভাগের অনুমোদনসহ বিদ্যমান সমস্যাবলী পর্যবেক্ষণ ও সমাধানকল্পে গঠিত কমিটির অনুষ্ঠিত সভার সুপারিশক্রমে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) কর্তৃক সিদ্ধান্তগুলো গৃহীত হয়েছে বলে জানা গেছে।









