শিক্ষার্থীরা জানান, 'আমাদের অন্য বিভাগের শ্রেণীকক্ষ ব্যবহার করতে হয়। আমরা পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা পাচ্ছি না, এখন আমাদের ক্লাসরুম সমস্যার সমাধান না করা পর্যন্ত ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করছি।'
শ্রেণীকক্ষ সংকট সমাধানের ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের বলেন, "আমরা চাচ্ছি খুব দ্রুত এ সমস্যার সমাধান দিতে। প্রশাসন থেকে ডিনদের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবারের মাঝে ডিনগণ এ সমস্যার সমাধান করার জন্য মিটিং করছেন।"
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী বলেন, ডিনদের মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা চলছে। আশা করছি ক্লাসরুম সংকটের সুষ্ঠু সমাধান করতে পারব।
আনন্দবাজার/এস.কেকুবির সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীদের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন
প্রকাশ:

বিস্তারিত
শ্রেণীকক্ষের দাবিতে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার শিক্ষার্থীরা উপাচার্য বরাবর গণস্বাক্ষর ও স্মারকলিপি জমা দেয়ার মাধ্যমে এ পদক্ষেপ নেয়।
এর আগে গত সোমবার (২ মার্চ) শিক্ষার্থীরা শ্রেণীকক্ষের দাবিতে আন্দোলন করে। আন্দোলনের মাঝে প্রশাসনিক ভবন অবরোধ করে প্রতীকী ক্লাসও নিয়েছে শিক্ষার্থীরা। এসময় আমরণ অনশনে যান বিভাগের ১৩ শিক্ষার্থী। সকাল থেকে টানা আন্দোলন চলা ও আমরণ অনশনে অংশ নেয়ায় এক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে যান। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে তাকে চিকিৎসা দেয়া হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ৫টি ব্যাচের বিপরীতে মাত্র একটি শ্রেণীকক্ষ আছে, শিক্ষকদের জন্য পর্যাপ্ত অফিস কক্ষ নেই, সেমিনার নেই, নেই কোনো ল্যাব। ল্যাব না থাকায় শিক্ষার্থীরা হাতে কলমে শিক্ষা নেওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
শিক্ষার্থীরা জানান, 'আমাদের অন্য বিভাগের শ্রেণীকক্ষ ব্যবহার করতে হয়। আমরা পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা পাচ্ছি না, এখন আমাদের ক্লাসরুম সমস্যার সমাধান না করা পর্যন্ত ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করছি।'
শ্রেণীকক্ষ সংকট সমাধানের ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের বলেন, "আমরা চাচ্ছি খুব দ্রুত এ সমস্যার সমাধান দিতে। প্রশাসন থেকে ডিনদের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবারের মাঝে ডিনগণ এ সমস্যার সমাধান করার জন্য মিটিং করছেন।"
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী বলেন, ডিনদের মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা চলছে। আশা করছি ক্লাসরুম সংকটের সুষ্ঠু সমাধান করতে পারব।
আনন্দবাজার/এস.কে
শিক্ষার্থীরা জানান, 'আমাদের অন্য বিভাগের শ্রেণীকক্ষ ব্যবহার করতে হয়। আমরা পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা পাচ্ছি না, এখন আমাদের ক্লাসরুম সমস্যার সমাধান না করা পর্যন্ত ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করছি।'
শ্রেণীকক্ষ সংকট সমাধানের ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের বলেন, "আমরা চাচ্ছি খুব দ্রুত এ সমস্যার সমাধান দিতে। প্রশাসন থেকে ডিনদের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবারের মাঝে ডিনগণ এ সমস্যার সমাধান করার জন্য মিটিং করছেন।"
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী বলেন, ডিনদের মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা চলছে। আশা করছি ক্লাসরুম সংকটের সুষ্ঠু সমাধান করতে পারব।
আনন্দবাজার/এস.কে







