অনলাইন বিজনেস বর্তমান সময়ে আমাদের ডিজিটাল যুগের মেরুদণ্ড হয়ে উঠছে দিন দিন। ঠিক তেমন করেই YEESBD (Youth Entrepreneurs and e-Commerce Society of Bangladesh) উদ্যোক্তাদের যোগ্য উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে বিভিন্ন সেগমেন্ট, কনটেস্ট, ট্রেনিং, মেলা, অনলাইন, অফলাইন মিটআপ এবং গেট টুগেদার প্রোগ্রামের মাধ্যমে।
সেই সাথে ক্রেতাদেরও অনলাইনে কেনাকাটা করতে ভরসার জায়গায়টা নিশ্চিত করছে। নতুন উদ্যোক্তাদের নিয়ে সাপ্তাহিক আয়োজন "মান্ডে ফান্ডে" এবং "মনের ক্যানভাস" একাধারে পরিচিত ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি করছে অন্য দিকে সুপ্ত প্রতিভা বা ভালোলাগার বিষয়গুলো নিয়ে লেখার সুযোগ করে দিয়েছে গ্রুপটি। কারণ YEESBD মানেই নাকি চমক।
সত্যিই এমন একটি চমক নিয়ে এসেছে YEESBD পরিবার। বাংলাদেশের বিজয় দিবসের সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে ০-১৩ বছর বয়সী শিশুদের নিয়ে "বিজয়ের পঞ্চাশে YEESBD" শিরোনামে একটি ব্যাতিক্রমী আয়োজন নিয়ে।
গত দুই বছর ধরে স্কুলগুলো বন্ধ। এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিস তো পরে, পড়ালেখাটাও ঠিক মতো হয়নি বাচ্চাগুলোর। ঘর বন্দি হয়ে আছে। নিজেদের সুরক্ষার কথা চিন্তা করেই আমাদের ঘরে থাকতে হচ্ছে।
তাই YEESBD আমাদের সোনামণিদের জন্য নিয়ে এলো এক ভিন্ন রকম আয়োজন। কারন আমরা বিশ্বাস করি একজন উদ্যোক্তা শুধু নিজেকে নিয়েই আগায়না, সে আগায় তার পুরো পরিবার নিয়ে। পুরো পরিবার ভালো থাকলে একজন উদ্যোক্তা ভালো থাকে। এমনটাই বলেছেন YEESBD (Youth Entrepreneurs and e-Commerce Society of Bangladesh) উদ্যোক্তা গ্রুপের প্রেসিডেন্ট নাজনীন আফজাল।
অনলাইনে এই সর্বপ্রথম কোনো উদ্যোক্তা গ্রুপ শিশুদের নিয়ে এমন ভিন্ন ধারার আয়োজন করেছে YEESBD নামক ২৬ হাজার সদস্যদের সমৃদ্ধ পরিবার। যা ইতিহাস হয়ে থাকবে আরেকটি স্বর্ণ যুগের সূচনায়।
আজকের শিশুরাই যে আগামী দিনের ভবিষ্যৎ সেটা আমরা নিজেরাও শিশু বয়সেই "ঘুমিয়ে আছে শিশুর পিতা সব শিশুরই অন্তরে" কথাটির মাধ্যমে জেনে আসছি। বিভিন্ন সময়ের বিবর্তমানে প্রতিকূল পরিবেশগুলোকে সাহসিকতার সাথে সম্মুখীন হওয়ার মনোবল এখন থেকেই আস্তে আস্তে তৈরি করতে হবে। যেনো হঠাৎ সৃষ্ট কোনো সমস্যায় সহজেই ভেঙে না পড়ে। এখনকার বাবা-মায়েরা আলহামদুলিল্লাহ সফল। এ বিষয়ে সেটা কনটেস্টে অংশগ্রহণকারী শিশুদের নিয়ে করা পোস্টগুলো দেখলেই বোঝা যায় যুগের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে আমাদের বাচ্চারা, যা হয়তো আমরা আমাদের শৈশবে কখনো ভেবেই দেখিনি।
এতোদিন শুধুমাত্র তাদের বাবা-মা কিংবা আত্মীয়দের গন্ডিতেই সীমাবদ্ধ ছিলো তাদের প্রতিভাগুলো বা মিষ্টি মুহুর্তগুলো। কিন্তু YEESBD এর কল্যানে এটা পুরো বিশ্ববাসীর জানার একটা সুযোগ তৈরি হয়েছে।
এখানে শিশুরা নতুন নতুন বিষয় সম্পর্কে জানবে, শিখবে অন্য শিশুর থেকে, নিজে করার সাহস পাবে, জড়তা কাটিয়ে সৌহার্দ্যপূর্ন সম্পর্কে জড়িত হবে, সর্বপরি আত্নবিশ্বাসী হয়ে উঠবে এবং সবসময়ের জন্য YEESBD নামক একটা ভালোবাসাময় পরিবারকে পাশে চলার পথে পাবে। এভাবেই প্রতিনিয়ত ক্রেতা এবং বিক্রেতার মধ্যে মঙ্গলময় মেলবন্ধন তৈরি করে চলেছে YEESBD পরিবারের এডমিন প্যানেল।
আনন্দবাজার/এম.আর









