দেশে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পেলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের কোনো পরিকল্পনা নেই। বরং ১২ বছরের নিচে শিক্ষার্থীদের টিকা প্রদানে জোর দেওয়া হচ্ছে। তাদের টিকার আওতায় আনতে না পারলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের চিন্তা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। গতকাল বুধবার নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ঘোষণায় আয়োজিত সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, হঠাৎ করে আবারও করোনা পরিস্থিতি বেড়ে যাওয়ায় আমরা উদ্বেগের মধ্যে রয়েছি। তবে আপাতত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে না। এরই মধ্যে আমাদের ১২ বছরের বেশি বয়সী শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় আনা হয়েছে। ১২ বছরের নিচে যেসব শিক্ষার্থী রয়েছে তাদেরও টিকা দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে। তাদের টিকার আওতায় আনা সম্ভব হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হবে না। যদি সেটি সম্ভব না হয় তাহলে ভিন্ন চিন্তা করা হবে।
এর আগে দুপুরে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের আওতায় ২ হাজার ৭১৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) আইটি বিজনেস ইনকিউবেটরের উদ্বোধনকালে তিনি এ ঘোষণা দেন।
ডা. দীপু মনি বলেছেন, দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি বিবেচনায় এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি এখন চূড়ান্ত করা সম্ভব নয়। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছানোর দুই সপ্তাহ পর সময়সূচি চূড়ান্ত করা হবে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা বারবার বলছি, জ্ঞান দক্ষতা তা যেমন থাকবে, পাশাপাশি সঠিক মূল্যবোধ, নৈতিকতায় ধর্মশিক্ষা একটি আবশ্যিক বিষয়। কাজেই ধর্মশিক্ষা বাদ দেয়ার কোনো সুযোগ নেই। আমরা বাদ দেইও নেই। নতুন কারিকুলামে আমরা যেমন সবকিছু করে করে শেখার দিকে যাচ্ছি সেখানে ধর্ম শিক্ষার বইগুলো শুধু পড়ে গেলাম তা যেন না হয়। তারা যেন ধর্ম শিক্ষার বোধগুলো, নৈতিকতা যেন অনুধাবন করতে পারে। তাদের জীবনে চর্চা করতে পারে সেভাবে বইগুলো তৈরি করা হয়েছে।









