শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের অনার্স ১ম বর্ষ ১ম সেমিস্টারে ভর্তি হওয়া বি-ইউনিটের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নবীনদের উদ্দেশ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন বলেন, "বাংলাদেশে যে'কয়টি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে তারমধ্যে অন্যতম বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। যারা এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে তারা অত্যন্ত ভাগ্যবান। এ প্রতিষ্ঠান থেকে পড়ালেখা করে অনেকেই আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সুনাম অর্জন করে আসছে। আশাকরি নবীনরাও এটা বহাল রাখবে।
তিনি বলেন, আমি জীবনে বহু চাকুরীর পরীক্ষায় পরীক্ষক হিসেবে ছিলাম। এরমধ্যে আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, যাদের দেখেছি স্কোর বেশি তারা প্রত্যেকেই শাবিপ্রবির শিক্ষার্থী ছিলেন। একাডেমীক সার্টিফিকেট কাউকে প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারে না। তাই নবীনদের কাছে আকুল আবেদন শুধু শিখলেই হবে না বরং আমাদের চারপাশের মানুষকে শিখাতে হবে।"
আজ রবিবার সকাল সাড়ে দশটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে ‘বি'- ইউনিটের নবীনবরণের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে সদ্য প্রবেশকরা ২০১৯-২০ সেশনের নবীনদের বরণ করে নেয়া হয়।
নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন আহমেদ এমপি।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ নবীনদের উদ্দেশ্যে বলেন, শাবিপ্রবি বর্তমানে একটা রোল মডেলে দাঁড়িয়েছে। বর্তমান অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ই আমাদের বিভিন্ন পদ্ধতি অনুসরণ করে কার্যক্রম পরিচালনা করে। শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনে আমরা সবার চেয়ে এগিয়ে আছি। সুশাসনে নাম্বার ওয়ানে অবস্থান ধরে রেখেছে শাবিপ্রবি। গত দুইবছর থেকে সবার প্রচেষ্ঠায় এই বিশ্ববিদ্যালয়কে র্যাগিং মুক্ত, সেশনজট মুক্ত, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় করতে সক্ষম হয়েছি।
নবীনবরণ অনুষ্ঠানে শাবি উপাচার্যের সভাপতিত্বে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল ইসলাম, ভর্তি কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ বেলাল উদ্দিন, প্রক্টর অধ্যাপক জহীর উদ্দিন আহমদ,ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টা অধ্যাপক রাশেদ তালুকদার, রেজিস্ট্রার ইসফাকুল হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
আনন্দবাজার/শাহী







