মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নাহিদ রানার গতি ও আগ্রাসী বোলিংয়ে বিধ্বস্ত হলো নিউজিল্যান্ড ব্যাটিং লাইনআপ। তার দুর্দান্ত পাঁচ উইকেট শিকারে ২০০ রানের আগেই গুটিয়ে যায় সফরকারীরা। ৫০ ওভারের মধ্যে মাত্র ১৯৮ রানে অলআউট হওয়ায় সিরিজে সমতা ফেরাতে বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৯৯ রান।
সোমবার (২০ এপ্রিল) টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক টম ল্যাথাম। কিন্তু শুরু থেকেই বাংলাদেশের পেস আক্রমণের সামনে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে কিউইরা, যার মূল নায়ক ছিলেন নাহিদ রানা।
ইনিংসের সপ্তম ওভারে প্রথমবার আক্রমণে এসেই নিজের প্রথম বলেই ১৩ রান করা হেনরি নিকোলসকে ফেরান তিনি। ২৫ রানে প্রথম উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড। পরের ওভারের প্রথম বলেই আবার আঘাত হেনে ২ রান করা উইল ইয়ংকে বিদায় করেন নাহিদ, ফলে মাত্র ২৮ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় সফরকারীরা।
এরপর ৫৬ রানের একটি জুটি গড়েন মোহাম্মদ আব্বাস ও নিক কেলি। তবে সেটিও ভাঙেন নাহিদ রানা। ১৯ রান করা আব্বাসকে লিটন দাসের ক্যাচে পরিণত করে ফেরান তিনি। এরপর শরিফুল ইসলাম আউট করেন অর্ধশতক করা নিক কেলিকে, যিনি ১৪ চার হাঁকিয়ে বড় ইনিংস গড়লেও ১৪৫ রানে থেমে যান।
৫ উইকেট পতনের পরও নিউজিল্যান্ডকে ঘুরে দাঁড়াতে দেয়নি বাংলাদেশ। রিশাদ হোসেন ৬ রান করা জশ ক্লার্কসনকে ফেরান। এরপর ১৬৪ রানে সপ্তম উইকেট হারায় কিউইরা।
প্রথম ম্যাচের নায়ক ডিন ফক্সক্রফটও থামেন নাহিদ রানার শিকার হয়ে, মাত্র ১৫ রানে বিদায় নেন তিনি। ১৮২ রানে অষ্টম উইকেট পতনের পর কিউইদের ইনিংস দ্রুত শেষের দিকে এগোতে থাকে।
এরপর আরও ১ রান যোগ হতেই নাহিদ রানা নিজের ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফাইফার পূর্ণ করেন, ০ রানে থাকা জেইডেন লেনক্সকে আউট করে।
শেষ উইকেট হিসেবে উইল ও’রউর্ককে ৬ রানে ফিরিয়ে দেন তাসকিন আহমেদ, যেখানে দুর্দান্ত ক্যাচ নেন তাওহিদ হৃদয়। ফলে ১৯৮ রানে গুটিয়ে যায় নিউজিল্যান্ডের ইনিংস।
বাংলাদেশের হয়ে ১০ ওভারে মাত্র ৩২ রান দিয়ে ৫ উইকেট শিকার করেন নাহিদ রানা। দুটি করে উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদ, একটি করে উইকেট পান সৌম্য সরকার ও রিশাদ হোসেন।









