সাইফ হাসান, লিটন দাস এবং তাওহীদ হৃদয়ের ব্যাটে শুরুতে বেশ শক্ত অবস্থানে ছিল বাংলাদেশ। এক পর্যায়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণও স্বাগতিকদের হাতে ছিল। তবে আফিফ হোসেন বিদায় নেওয়ার পর থেকেই ম্যাচের মোড় ঘুরতে শুরু করে।
ডেথ ওভারের শুরুতে দলীয় ১৮৪ রানে বাংলাদেশ তাদের পঞ্চম উইকেট হারায়। এরপরই ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ নেয় নিউজিল্যান্ডের পেসার ব্লেয়ার টিকনার। তার দুর্দান্ত বোলিংয়ে ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের মিডল ও লোয়ার অর্ডার।
টিকনার তার শেষ তিন ওভারে চারটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট শিকার করে বাংলাদেশের জয়ের সম্ভাবনা কার্যত শেষ করে দেন। তিনি ম্যাচে ১০ ওভারে ৪০ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন, যা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
অন্যদিকে তাওহীদ হৃদয় শেষ দিকে লড়াই চালিয়ে যান। তিনি ৫৮ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন এবং একটি ছক্কাও হাঁকান। তবে তার ইনিংস দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিতে পারেনি। ৪৯তম ওভারের দ্বিতীয় বলে তিনি ক্যাচ হয়ে ফেরেন।
শেষ দিকে মাত্র ৩৭ রানের ব্যবধানে বাংলাদেশের শেষ ৬ উইকেটের পতন ঘটে। ফলে পুরো দল ২২১ রানে অলআউট হয়ে যায় এবং জয় হাতছাড়া করে স্বাগতিকরা।









