ট্রান্সফার মার্কেটে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর দলটির খেলোয়াড়দের বাজারমূল্যের বড় পতন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে আক্রমণভাগের দুই তারকা জুড বেলিংহ্যাম এবং ভিনিসিউস জুনিয়রের বাজারমূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
অথচ এক মৌসুম আগে ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ যখন তারকায় ভরা দলে নতুন করে কিলিয়ান এমবাপ্পের মতো সুপারস্টারকে আনতে সক্ষম হন, তখন মনে হয়েছিল দলটিকে থামানো অসম্ভব হবে।
কিন্তু দুই বছর পর শিরোপার হিসাব হতাশাজনক। দলটি জিততে পেরেছে শুধু উয়েফা সুপার কাপ এবং ফিফা ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপ। মাঠের এই ব্যর্থতা সরাসরি আর্থিক ক্ষতিতেও প্রতিফলিত হয়েছে।
বায়ার্ন মিউনিখের কাছে হেরে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় এবং লা লিগায় বার্সেলোনার থেকে ৯ পয়েন্ট পিছিয়ে পড়ার কারণে দলের বাজারমূল্য মোট ১৭৬ মিলিয়ন ইউরো কমেছে বলে জানিয়েছে ট্রান্সফার মার্কেট।
আরও পড়ুন: কভেন্ট্রি সিটিকে ইপিএলে ফিরিয়ে বর্ষসেরা কোচ হলেন ল্যাম্পার্ড
বাজারমূল্যের হালনাগাদ হিসাব অনুযায়ী জুড বেলিংহ্যাম সবচেয়ে বড় পতনের শিকারদের একজন। তার মূল্য ১৮০ মিলিয়ন ইউরো থেকে নেমে ১৪০ মিলিয়ন ইউরো হয়েছে। অর্থাৎ এক ধাক্কায় ৪০ মিলিয়ন মূল্য কমে গেছে এই ইংলিশ সুপারস্টারের।
একইভাবে অনিয়মিত পারফরম্যান্সের কারণে ভিনিসিউস জুনিয়রের মূল্য ১৮০ মিলিয়ন থেকে ১৫০ মিলিয়ন ইউরোতে নেমেছে। কিছু সমালোচক তো ব্রাজিলিয়ান এই তারকাকে দলের সবচেয়ে বড় হতাশাগুলোর একজন বলেও উল্লেখ করেছেন।
মাত্র আটজন খেলোয়াড়ের মূল্য বেড়েছে। তাদের মধ্যে তরুণ প্রতিভা আর্দা গুলেরের মূল্য ৩০ মিলিয়ন থেকে বেড়ে ৯০ মিলিয়ন ইউরো হয়েছে। এছাড়া একাডেমি থেকে উঠে আসা রাউল অ্যাসেন্সিও ও গনজালো গার্সিয়ারও দাম বেড়েছে।
মিডফিল্ডে এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গার মূল্য ১০০ মিলিয়ন থেকে ৫০ মিলিয়নে নেমেছে, আর অঔরেলিয়ে চুয়ামেনির মূল্য ১০০ মিলিয়ন থেকে ৭৫ মিলিয়নে কমেছে।
আরও পড়ুন: লরিয়াসে সেরা উদীয়মান ক্রীড়াবিদের পুরস্কার পেলেন ইয়ামাল
রক্ষণভাগে এদার মিলিতাওর মূল্য ৬০ মিলিয়ন থেকে ২৫ মিলিয়নে নেমেছে। আর রদ্রিগো গোয়েস হারিয়েছেন পুরো ৬০ মিলিয়ন ইউরো, নেমে এসেছেন ৫০ মিলিয়নে।
দলের বাকিদের কঠিন সময়ের মাঝেও শুরুর একাদশে একমাত্র ফেদেরিকো ভালভার্দেই নিজের মূল্য ধরে রাখতে পেরেছেন, যা এখনও ১২০ মিলিয়ন ইউরো রয়েছে।









