জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখার দারুণ সুযোগ পেয়েছে বাংলাদেশ, কারণ প্রথমে ব্যাটিং করে বড় সংগ্রহ দাঁড় করাতে পারেনি নিউজিল্যান্ড। পাকিস্তানের বিপক্ষে সর্বশেষ ওয়ানডেতে জয় পাওয়া স্বাগতিকরা এই ম্যাচে জয়ের জন্য পেয়েছে ২৪৮ রানের লক্ষ্য।
তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় নিউজিল্যান্ড। তবে মিরপুরে তাদের শুরুটা ছিল হতাশাজনক। ইনিংসের শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রিত ও ধারালো বোলিং করেন শরীফুল ইসলাম। দলীয় ২১ রানের সময় আক্রমণে এসে তিনি ফিরিয়ে দেন নিক কেলিকে (৭), যিনি শট খেলতে গিয়ে বোল্ড হন।
পরের ওভারেই আরেকটি উইকেট পাওয়ার সুযোগ তৈরি করেছিলেন শরীফুল। কিন্তু ব্যক্তিগত ১ রানে থাকা উইল ইয়ংয়ের সহজ ক্যাচ স্লিপে ফেলেন সাইফ হাসান, ফলে বেঁচে যান ইয়ং। পরে অবশ্য শরীফুল তার দ্বিতীয় উইকেট তুলে নেন দলীয় ১৬৫ রানে, মোহাম্মদ আব্বাসকে (১৪) আউট করে। তার বোলিং ফিগার ছিল ১০ ওভারে ২ মেডেনসহ ২৭ রানে ২ উইকেট।
শুরুর ধাক্কা সামলে দ্বিতীয় উইকেটে ৭৩ রানের জুটি গড়ে ইনিংস মেরামতের চেষ্টা করেন হেনরি নিকোলস ও উইল ইয়ং। তবে জীবন পেয়ে বড় ইনিংস খেলতে পারেননি ইয়ং; দলীয় ৯৪ রানে রিশাদ হোসেনের বলে তানজিদ হাসান তামিমের হাতে ক্যাচ দেন তিনি।
এরপর দ্রুত ৪ রানের ব্যবধানে আরও দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় নিউজিল্যান্ড। দলীয় সর্বোচ্চ ৬৮ রান করা ওপেনার নিকোলসকে ফেরান রিশাদ, আর অধিনায়ক টম লাথামকে বোল্ড করেন বাংলাদেশের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ।
১৩১ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর দলের হাল ধরেন ডিন ফক্সক্রফট। তিনি ৮টি চারের সাহায্যে ৫৯ রান করে ইনিংসকে এগিয়ে নেন এবং দলকে নিয়ে যান ২৪৭ রানে। সপ্তম ব্যাটার হিসেবে আউট হন তিনি।
শেষ পর্যন্ত নিউজিল্যান্ডকে ২৪৭ রানে থামাতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ। বোলিংয়ে প্রত্যেকেই অন্তত একটি করে উইকেট নেন। তাসকিন আহমেদ, শরীফুল ইসলাম ও রিশাদ হোসেন সর্বোচ্চ ২টি করে উইকেট শিকার করেন।









