বিধানসভা নির্বাচনে ১০০ আসনে এগিয়ে রয়েছে বিজয়ের নবগঠিত দল তামিলগা ভেত্রি কাজগাম। সর্বশেষ ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্ষমতাসীন ডিএমকের শক্ত ঘাঁটি কোলাথুরে প্রায় সাড়ে আট হাজার ভোটে হেরে গেছে মুখ্যমন্ত্রী স্ট্যালিন। এই ঐতিহাসিক জয় সময়ের ব্যাপার মাত্র যার নেপথ্যে রয়েছেন বিজয়ের রাজনৈতিক পরামর্শ প্রশান্ত কিশোর।
রাজনৈতিক পরামর্শ থেকে রাজনীতির ময়দানে কোনো সুবিধা করতে পারেনি প্রবীণ রাজনৈতিক প্রশান্ত কিশোর। তবে আবার পুরনো পেশায় ফিরে সাফল্যের পথে নিয়ে গেলেন থালাপতি বিজয়কে।
২০২১ সালে বাংলায় তৃণমূলকে জেতানোর পর তিনি সেই কাজটা ছেড়ে বিহারে জন সুরাজ শুরু করেন। শুরুর দিকে তাঁর জনসভা-মিছিলে ব্যাপক ভিড় হচ্ছিল। সোশ্যাল মিডিয়াতেও চরম জনপ্রিয়তা পান তিনি। কিন্তু ২০২৫ বিহার বিধানসভায় মুখ থুবড়ে পড়ে পিকের সেই দল।
গেল বছর থালাপতি বিজয় অভিনয় ছেড়ে রাজনীতি যোগ দিয়ে দল গঠন করলে তার পরামর্শদাতা হিসাবে আবারও কাজ শুরু করে পিকে। চমকপ্রদভাবে এক বছরের মধ্যে পোড় খাওয়া রাজনৈতিক মুখ্যমন্ত্রী স্ট্যালিনকে তামিলনাড়ু মসনদ থেকে হটিয়ে নবাগত টিভিকেকে জয় এন দিতে যাচ্ছেন তিনি।
বিজয়ের সঙ্গে যোগ দিয়েই লোকচক্ষুর আড়ালে থেকে নীরবে কাজ শুরু করেন। নিজের রাজনৈতিক সফরে যে যে ভুলগুলি করেছিলেন। সেগুলি বিজয় না করেন, সেটা নিশ্চিত করে দেন প্রশান্ত। তিনি বিজয়কে বুঝিয়ে দেন, শুধু বড়বড় জনসভা করলে হবে না। সংগঠন মজবুত করতে হবে। দলের আদর্শগত জায়গা তৈরি করতে হবে। মানুষের কাছে স্পষ্ট ধারণা দিতে হবে তাঁর রাজনৈতিক ভিশনের। সেই কাজগুলি বিজয় সফলভাবে করেছেন।
তার ফল আজ তামিলের ইতিহাস লেখা হলো নতুন করে। পরিস্থিতি বিবেচনায় মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসার জোর সম্ভাবনা বিজয়ের। প্রশান্ত অবশ্য এক বছর আগেই বলে দিয়েছিলেন, বিজয়কে তিনি জেতাবেন। গেল বছরের ফেব্রুয়ারির রসিকতা আজ যেনো সত্যি হতে চলেছে।









