মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা বন্ধে কূটনৈতিক তৎপরতা অনিশ্চিতই রয়ে গেছে। ইরান জানিয়েছে, ‘হুমকির মধ্যে তারা কোনো ধরনের আলোচনায় বসবে না।’
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও পাল্টা বলেছেন, ইরান চুক্তিতে সম্মত না হওয়া পর্যন্ত দেশটির বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত অবরোধ বহাল থাকবে।
কারণ ট্রাম্প মনে করেন, ইরানের ওপর আরোপিত মার্কিন অবরোধ দেশটিকে অর্থনৈতিকভাবে চাপে ফেলছে এবং এটাই তার মূল উদ্দেশ্য।
সোমবার তিনি সরাসরি কোনো সংবাদ সম্মেলনে না এলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সক্রিয় ছিলেন। সেখানে তিনি জানান, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান অবরোধ অব্যাহত রাখা হবে। তার মতে, এই পদক্ষেপ শুধু ইরানকেই নয়, দেশটির জ্বালানি ক্রেতা-বিশেষ করে ভারত ও চীনকে চাপে ফেলবে।
ট্রাম্প বিশ্বাস করেন, এই অর্থনৈতিক চাপের ফলে শেষ পর্যন্ত তেহরানকে আবারও আলোচনার টেবিলে ফিরতে হবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত শর্তগুলো মেনে নিতে বাধ্য হতে পারে।
তেহরান এই ঘটনাকে ‘জলদস্যুতা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে এবং দুই দেশের মধ্যে থাকা ‘দুর্বল’ যুদ্ধবিরতির চুক্তির লঙ্ঘন বলেছে।
ইরান প্রায় দুই মাস ধরে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালীতে নিজেদের অবরোধ বজায় রেখেছে-যার ফলে বিশ্বব্যাপী জ্বালানির দাম বেড়ে গেছে।
শনিবার অল্প সময়ের জন্য এই পথটি খুলে দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু পরে আবার বন্ধ করে দেওয়া হয়। কারণ, প্রণালীর আশপাশে থাকা কিছু জাহাজ (এর মধ্যে একটি তেলবাহী ট্যাংকারও ছিল) ইরানের লক্ষ্যবস্তু হয়েছে বলে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরান “গুলি চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে” এবং এটিকে তিনি যুদ্ধবিরতির চুক্তির সম্পূর্ণ লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেন।
ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের বন্দরগুলোর ওপর থেকে অবরোধ না তোলা পর্যন্ত তারা এই নৌপথ বন্ধই রাখবে।









