মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে বড় ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিকে রাশিয়ার পক্ষ থেকে সমর্থনের কথা জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট পুতিন।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে আব্বাস আরাগচির সঙ্গে বৈঠক এমন আশ্বাস দেন ভ্লাদিমির পুতিন।
বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ফেরাতে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়েছে রাশিয়া। এর আগে, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার নিন্দা জানিয়েছিল মস্কো। এছাড়া উত্তেজনা প্রশমনের উপায় হিসেবে ইরানকে তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় গচ্ছিত রাখার প্রস্তাবও বারবার দিয়ে আসছে ক্রেমলিন। যদিও যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেনি।
রুশ রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, আরাগচিকে পুতিন বলেছেন, ‘আমাদের পক্ষ থেকে আমরা এমন সবকিছুই করব; যাতে আপনাদের এবং এই অঞ্চলের সকল মানুষের স্বার্থ রক্ষা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে শান্তি নিশ্চিত করা যায়।’
পুতিন জানান, গত সপ্তাহে আমি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার কাছ থেকে একটি বার্তা পেয়েছি। আমি আপনাকে অনুরোধ করব তার প্রতি আমার আন্তরিক ধন্যবাদ পৌঁছে দেবেন। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, ইরানের মতো রাশিয়াও তেহরানের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক অব্যাহত রাখতে চায়।
গত বছর রাশিয়ার সঙ্গে ২০ বছর মেয়াদী একটি কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তি সই করে ইরান। এছাড়া ইরানের একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বুশেহরে দুটি নতুন ইউনিট তৈরি করছে রাশিয়া। অন্যদিকে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্য রাশিয়াকে ‘শাহেদ’ ড্রোন সরবরাহ করেছে ইরান।
ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা আরআইএর প্রতিবেদনের বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট পুতিনকে আরাগচি বলেছেন, রাশিয়া ও ইরানের মধ্যকার সম্পর্ক আরও জোরদার করতে হবে।









