পবিত্র ঈদুল আজহার আগেই নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারির দাবিতে আরও জোরালো অবস্থানে চলে গেছেন দেশের বেসরকারি শিক্ষক ও কর্মচারীরা। দীর্ঘদিন ধরে বেতন কাঠামো সংস্কারের আশ্বাস থাকলেও বাস্তব কোনো অগ্রগতি না থাকায় তাদের মধ্যে অসন্তোষ ও ক্ষোভ ক্রমেই বাড়ছে।
শিক্ষক-কর্মচারীরা বলছেন, বর্তমান দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় তাদের জীবনকে কঠিন করে তুলেছে। ফলে দ্রুত নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করার দাবিতে তারা এখন ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনে নামছেন।
আন্দোলনের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামে ইতিমধ্যে বড় কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে, দাবি পূরণ না হলে আগামী ১ মে রাজধানী ঢাকায় ধর্মঘট কর্মসূচি পালন করা হবে। শিক্ষক নেতারা বলছেন, বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় নবম পে-স্কেল ঘোষণা এখন সময়ের অনিবার্য দাবি।
অন্যদিকে বেসরকারি শিক্ষক ও কর্মচারীরা অভিযোগ করছেন, সরকারি খাতের তুলনায় তারা দীর্ঘদিন ধরে বৈষম্যের শিকার। নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন না হলে তাদের আর্থিক সংকট আরও গভীর হবে, যা শিক্ষার মানের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
ঈদের আগে সরকার থেকে কোনো ইতিবাচক ঘোষণা আসবে এমন প্রত্যাশায় দিন কাটাচ্ছেন কয়েক লাখ শিক্ষক-কর্মচারী। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনা চলছে। অনেকেই দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারির পক্ষে মত দিচ্ছেন।
আন্দোলনকারীরা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, দাবি উপেক্ষা করা হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর ও টানা কর্মসূচি দেওয়া হবে।









