দোলযাত্রা ও গৌড় পূর্ণিমা আজ মঙ্গলবার। বাংলাদেশের সব মত ও পথের হিন্দুরা দোল উৎসব পালন করে। উৎসবটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মাদ্রাজ, উড়িষ্যা প্রভৃতি স্থানে দোল উৎসব এবং উত্তর, পশ্চিম ও মধ্য ভারতে ‘হোলি’ নামে পরিচিত। এ উৎসবকে বসন্ত উৎসবও বলা হয়। ৎহিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় এই উৎসবটি শ্রীকৃষ্ণের দোলযাত্রা বা দোল উৎসব নামে অধিক পরিচিত।
এই উৎসবে ভক্তরা ভগবান শ্রীকৃষ্ণের সান্নিধ্যে মাতোয়ারা হতে চান। সৃষ্টিকর্তার কাছে ন্যায়ের বিজয় ও অন্যায়ের বিনাশ প্রার্থনা করেন। মানুষে মানুষে সম্প্রীতি ও ভালোবাসার বন্ধন সুদৃঢ় করাই হচ্ছে দোল উৎসবের মূল বাণী।
দ্বাপর যুগ থেকে শ্রীকৃষ্ণের এই দোলযাত্রা চলে আসছে। পুষ্পরেণুর মাধ্যমে রাধাকৃষ্ণ দোল উৎসব করতেন। সময়ের বিবর্তনে পুষ্পরেণু ‘আবির’ নামের লাল রঙের এক ধরনের পাউডারে রূপান্তরিত হয়েছে।
দোলযাত্রা ও গৌড় পূর্ণিমা উপলক্ষে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর, সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মা, মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি জয়ন্ত কুমার দেব ও সাধারণ সম্পাদক ড. তাপস চন্দ্র পাল যৌথ বিবৃতিতে হিন্দু সম্প্রদায়সহ দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।









