ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, আমরা চাই জুলাই সনদের বিষয়গুলো সংবিধানের ভেতর থেকেই আসুক এবং সাংবিধানিক রীতিনীতি মেনেই আসুক। কিন্তু এর বাইরে গিয়ে অন্য কিছুর পায়তারা করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, সংস্কার আর সংশোধনের মধ্যে সূক্ষ্ম পার্থক্য রয়েছে।
৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ের প্রসঙ্গ টেনে পার্থ বলেন, ওই সময়ে দেশে একটি ‘কোয়াজাই কনস্টিটিউশনাল’ (আধা-সাংবিধানিক) পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। কারণ সংবিধানে প্রধানমন্ত্রী পালিয়ে গেলে কী হবে সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো বিধান ছিল না। তবে বর্তমানে সেই পরিস্থিতি আর নেই।
জুলাই যোদ্ধাদের আত্মত্যাগের কারণেই আজ সংসদে প্রতিনিধিত্ব করা সম্ভব হয়েছে। তাই তাদের দাবির বিষয়ে আরও ধৈর্য ও সহনশীলতার পরিচয় দেওয়ার আহ্বান জানান এ সংসদ সদস্য।
বিরোধী দলের সমালোচনার জবাবে তিনি বলেন, আপনারাই একমাত্র জুলাইয়ের টেন্ডার নিয়েছেন—বিষয়টি এমন নয়।
আইন ও সংবিধান নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর সমালোচনা করতে গিয়ে পার্থ একটি রূপক গল্প শোনান। এসময় তিনি বলেন, এক আইন ছিল—অতিথি পাখি মারলে ১০ বছর জেল। এখন একজনের বাড়ির মুরগি প্রতিবেশী জবাই করে খেয়ে ফেলেছে। সেই প্রতিবেশী মামলা ঠুকে দিল ১০ বছরের জেলের দাবিতে, কারণ তার যুক্তি—মুরগিও তো এক প্রকার পাখি আর অন্যের বাড়িতে সে ছিল অতিথি!
তিনি আরও বলেন, যারা আইন বোঝেন না, তাদের বারবার বোঝানো অর্থহীন হয়ে পড়ে।
পার্থ বলেন, ২১৭টি আসন নিয়ে তারা সংসদে এসেছেন আইন পরিবর্তন ও সংবিধান সংশোধনের জন্য। জনগণের ম্যান্ডেট নিয়েই সাংবিধানিক কাঠামোর ভেতর থেকে পরিবর্তন আনা হবে। যে সংবিধান জনগণের কথা বলে না, জনগণ সেটিকে গ্রহণ করবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।









