বিএনপি জবাবদিহিমূলক এবং যুগোপযোগী আইন করতে চায় বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
রবিবার (১২ এপ্রিল) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেছেন।
আইনমন্ত্রী বলেছেন, যারা বলছেন, আমরা মানবাধিকার কমিশন, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বা নিয়োগে স্বচ্ছতা চাই না, তাদের জন্য স্পষ্ট বার্তা যে, বিএনপি তার নির্বাচনি অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে এই আইনগুলোকে আরও বেশি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং যুগোপযোগী করতে চায়।
১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ৯৭টি অধ্যাদেশ হুবহু পাস হয়েছে। ১৩টি অধ্যাদেশ সংশোধিত আকারে পাস করা হয়েছে। ৭টি অধ্যাদেশ রহিতকরণ হেফাজতবিল করে পাস করিয়েছি। আর ১৬টি অধ্যাদেশ আমরা উপস্থাপন করিনি। সবমিলিয়ে ৯১টি বিলের মাধ্যমে ১১০টি আইন পাস করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেছেন, মানবাধিকার কমিশন আইন, সুপ্রিমকোর্টের বিচারক নিয়োগ আইন, সুপ্রিমকোর্ট সচিবালয় বিষয়ক আইন এই বিলগুলো উত্থাপনের সময় কারণ উল্লেখ করতে হয়। এগুলোর ক্ষেত্রে আমরা অধিকতর যাচাই-বাছাই প্রয়োজন উল্লেখ করেছি। আমরা এখানে কোনোকিছু অস্পষ্ট রাখিনি। যারা বলছেন আমরা এটা করিনি, বাদ দিয়েছি তারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন।
আইনমন্ত্রী বলেছেন, মানবাধিকার কমিশনের বিষয়ে কতদিনের মধ্যে যথোপযুক্তভাবে তদন্ত শেষ হবে তা নির্ধারণ করা হয়নি। দুই পক্ষকে ডেকে যে অপশনগুলো থাকবে সেগুলো হলো জরিমানা করা, ক্ষতিপূরণ দাবি, মামলা করবে নাকি অন্য কোথাও যাবে সেই পরামর্শ দিবে অথবা মানবাধিকার কমিশন বাদী হয়ে মামলা করতে পারবে। কিন্তু এখানে জরিমানা কত বা ক্ষতিপূরণ কত দিবে তার কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম নেই।’
আইনমন্ত্রী আরও বলেছেন, এক-এগারোর সময়ের সরকার ১২২টি অধ্যাদেশ জারি করেছিল। সেখান থেকে মাত্র ৫৪টি আইনে পরিণত করা হয়েছিল। আর আমরা ইতোমধ্যে প্রায় ১১৭টিই আইনে রূপান্তর করেছি।









