জেনিৎসার বিলিনো পোলি স্টেডিয়ামে ফুটবল বিধাতা যেন ইতালির দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। বারো বছরের আক্ষেপ ঘুচিয়ে বিশ্বমঞ্চে ফেরার স্বপ্ন নিয়ে জেনিৎসায় পা রাখা আজ্জুরিদের যাত্রা শেষ পর্যন্ত ধূলিসাৎ হলো পেনাল্টি শুটআউটে। টানা তিনবার ফুটবলের মহাযজ্ঞের দর্শক হয়েই থাকতে হলো চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।
প্লে-অফের ফাইনালে প্রথমার্ধে এক গোলে এগিয়েই ছিল ইতালি। তবে দ্বিতীয়ার্ধে একটি গোল হজম করায় নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষ হয় ১-১ গোলের সমতায়। অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও ফলাফল না আসায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে।
ভাগ্য পরীক্ষায় বসনিয়ার হয়ে প্রথম শটেই গোল আদায় করেন বেঞ্জামিন তাহিরোভিচ। অন্যদিকে ইতালির হয়ে শট নিতে এসে মিস করেন পিও এস্পোসিতো। দ্বিতীয় শটে দুই দলই গোল পায়। তৃতীয় শটে বসনিয়া গোল পেলেও মিস করেন ইতালির ব্রায়ান ক্রিস্তান্তে। আর চতুর্থ শটে গোল পেয়ে গেলে ৪-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা। তাতেই বিশ্বকাপের টিকিট পায় দলটি।
ম্যাচের শুরুতেই আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয় ইতালি। প্রথমার্ধের ১৫তম মিনিটেই দুর্দান্ত এক ফিনিশিংয়ে দলকে লিড এনে দেন ইতালীয় ফরোয়ার্ড ময়েস কিন। এই গোলের মধ্য দিয়ে বারো বছরের বিশ্বকাপ আক্ষেপ মোচনের পথে বড় এক ধাপ এগিয়ে গিয়েছিল আজ্জুরিরা।









