কখনো তামিম ইকবালের ব্যাটের কানা ছুঁয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে বল। আবার কখনও বাতাস লাগিয়ে যাচ্ছে লিটন দাসের হেলমেটে। গত কিছুদিন ধরে অনুশীলনের নিয়মিত চিত্র এসব। নেটে প্রায় সব ব্যাটসম্যানকেই ভোগাচ্ছেন তাসকিন। অনুশীলনে তিনি আগুন ঝরা বোলিং করে চলেছেন৷ তবে এই ফাস্ট বোলার স্রেফ নেটের গতি আর ছন্দেই আনন্দে ডুবে যাচ্ছেন না। বরং উন্নতির পথ ধরে ছুটে চলার তাড়না অনুভব করছেন।
করোনাভাইরাসের প্রভাবে বেশ লম্বা সময় মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছে ক্রিকেটারদের। তবে সেই সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাসকিনকে সক্রিয় দেখা গেছে। ওই সময় ফিটনেস নিয়ে জিমে কাজ করার ছবি-ভিডিও পোস্ট করেছেন নিয়মিত। এখন অনুশীলনের মাঠে তাকে দেখেও সেসবের ফল টের পাওয়া যাচ্ছে। তাসকিনের ওজন কমেছে বেশ, বেড়েছে পেশির আকার।
তবে ওজন কমা ও বাড়ন্ত পেশিই ফিটনেসের মূল প্রতিফলন নয়। অবশ্য মাঠেও তাকে মনে হচ্ছে দারুণ ফুরফুরে ও চনমনে। বোলিংয়েও খুবই আগ্রাসী। তাকে সময় কাটাতে দেখা যাচ্ছে বোলিং কোচ ওটিস গিবসনের সঙ্গে।
একসময় ওয়ার্ক এথিক ঠিক নেই বলে তাসকিনকে নিয়ে সমালোচনা ছিল প্রচুর। এখনও তার ভাবমূর্তির সঙ্গে লেপ্টে আছে সেসবের রেশ। কিন্তু সম্প্রতি তার নানা প্রচেষ্টায় দেখা যাচ্ছে ওসব ঝেড়ে ফেলার ইচ্ছে।
তাসকিন বলেন, ফিটনেসে আগের চেয়ে উন্নতি হয়েছে। তবে উন্নতির তো শেষ নেই। বিশ্বমানের হতে হলে, আরও ধারাবাহিক হতে হলে কঠোর পরিশ্রম সবসময় করে যেতে হবে। আসলে এখনই শেষ নয়। সামনে আরও ভালো কিছু হবে, আশা করছি। আমি আমার চেষ্টা, ধারাবাহিকতা ধরে রাখার চেষ্টা করব যেন আরও উন্নতি হয় ও ভালো করতে পারি।
তিনি আরও বলেন, আগের থেকে ভালো ছন্দ এসেছে। ভালোও লাগছে। পেস, সিম পজিশন, এসব নিয়ে কাজ করছি কোচদের সঙ্গে। আগের থেকে উন্নতি হয়েছে। আল্লাহ যদি সুস্থ রাখেন, আগের চেয়ে আরও উন্নতি হবে। নিশানা, গতি, সিম পজিশন, এসব আরও ভালো হবে।
আনন্দবাজার/টি এস পি









