গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলা সদরের দস্যু নারায়নপুর এলাকার ছোঁয়া এগ্রো ফিড লিমিটেড কারখানায় আরও ৬ জন শ্রমিকের করোনা ভাইরাসে সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।
রবিবার (১২ এপ্রিল) কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ আব্দুস সালাম সরকার বিষয়টি দৈনিক আনন্দবাজার’কে নিশ্চিত করেন। তিনি আরো বলেন, আক্রান্তদের ওই কারখানার তিন তলায় আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। এদিকে গাজীপুর জেলা ও কাপাসিয়ায় লকডাউন চলছে।
এর আগে কাপাসিয়া উপজেলায় প্রথম বারের মতো গত শুক্রবার (১০ এপ্রিল) করোনা ভাইরাসে ( কোভিট-১৯) আক্রান্ত একজন রোগী শনাক্ত হয়। আক্রান্ত ওই ব্যক্তির বয়স আনুমানিক ৩৪ বছর। এদিকে আক্রান্ত ওই যুবক স্থানীয় ছোঁয়া এগ্রো ফিড লিমিটেড কারখানার সুপারভাইজার ছিলেন। বর্তমানে আক্রান্ত ওই যুবক রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এদিকে ছোঁয়া এগ্রোতে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হবার পর ওই কারখানার ভেতরে কাজ করা ৭৬ জন শ্রমিকের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকার আইইডিসিআরে পাঠানো হয় পরীক্ষার জন্য।
এদিকে গত শনিবার (১১ এপ্রিল) উপজেলার বারিষাব ইউনিয়নের ভেঁড়ার চালা গ্রামে ১ জন ও কড়িহাতা ইউনিয়নের রামপুর গ্রামে ১ জন করে মোট দুইজনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়।
বারিষাব ইউনিয়নের ভেঁড়ার চালা এলাকার আক্রান্ত ওই ব্যক্তি গাজীপুর সিভিল সার্জন অফিসের নৈশ প্রহরী হিসেবে কর্মরত এবং কড়িহাতা ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের ওই ব্যক্তি বন্দর নগরী নারায়নগঞ্জ এলাকায় পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন। গত ৮ এপ্রিল তিনি নারায়নগঞ্জ থেকে তার নিজ বাড়িতে আসেন। এ নিয়ে কাপাসিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৯ জনে।
আনন্দবাজার/শহক/সবু









