প্রথম ওয়ানডেতে দাপট দেখিয়ে বাংলাদেশ হারিয়েছিল পাকিস্তানকে। মুদ্রার উল্টোপিঠ তারা দেখল দ্বিতীয় ম্যাচে। ১১৪ রানে অলআউট হয়ে ১২৮ রানে পরাজিত স্বাগতিকরা।
তবে এই হার ছাপিয়ে সংবাদ সম্মেলনে আলোচনার কেন্দ্রে থাকল পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান আগাকে মেহেদী হাসান মিরাজের রানআউট করা নিয়ে। বাংলাদেশের প্রতিনিধি হয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হওয়া পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার মুশতাক আহমেদ আসেন। এনিয়ে প্রশ্ন উঠলে এড়িয়ে যাননি তিনি। তার মতামত তুলে ধরেছেন।
মিরপুরে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে পাকিস্তানের কাছে ১২৮ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে ৩২ ওভারে বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য ছিল ২৪৩ রান। কিন্তু সেই রান তাড়ায় নেমে মাত্র ১১৪ রানেই অলআউট হয়ে যায় স্বাগতিকরা। লিটন দাস ৪১ এবং তৌহিদ হৃদয় ২৮ রান করলেও বাকিদের ব্যর্থতায় ২৩.২ ওভারেই শেষ হয় বাংলাদেশের ইনিংস।
লক্ষ্য তাড়ায় শুরুটা খুব একটা খারাপ না হলেও লিটন দাসের আউটের পর নাটকীয় ধস নামে বাংলাদেশের ইনিংসে। মিডল অর্ডার ও লেজের দিকের ব্যাটসম্যানরা উইকেটে আসা-যাওয়ার মিছিলে যোগ দিলে শেষ ৪১ রান তুলতেই ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলে টাইগাররা। পাকিস্তানের হয়ে হারিস রউফ ও ম্যাচসেরা সাদাকাত ৩টি করে উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ গুঁড়িয়ে দেন।
আগে ব্যাটিং করতে নেমে পাকিস্তান ৪৭.৩ ওভারে ২৭৪ রান সংগ্রহ করে। ওপেনার সাদাকাতের ৭৫ এবং সালমানের ৬৪ রানের ওপর ভর করে বড় সংগ্রহের ভিত পায় সফরকারীরা। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে রিশাদ হোসেন ৩টি এবং মেহেদী হাসান মিরাজ ২টি উইকেট নেন। মূলত সাদাকাতের বিধ্বংসী ব্যাটিং এবং পরবর্তীতে বোলিং নৈপুণ্যই পাকিস্তানকে ম্যাচে চালকের আসনে বসিয়ে দেয়।
এই জয়ের ফলে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ১–১ সমতায় ফিরল পাকিস্তান। সিরিজের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তান ১১৪ রানে অলআউট হয়েছিল, কাকতালীয়ভাবে দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশও ঠিক ১১৪ রানেই অলআউট হলো। এখন সিরিজের শেষ ম্যাচটি দুই দলের জন্যই অলিখিত ফাইনালে পরিণত হয়েছে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
পাকিস্তান: ২৭৪/১০ (৪৭.৩ ওভার); সাদাকাত ৭৫, সালমান ৬৪; রিশাদ ৩/৫৬।
বাংলাদেশ: ১১৪/১০ (২৩.২ ওভার); লিটন ৪১, হৃদয় ২৮; সাদাকাত ৩/২৩, হারিস রউফ ৩/২৬।
ফল: পাকিস্তান ১২৮ রানে জয়ী।
সিরিজ: ১–১ সমতা।









