গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় গত ২৪ ঘন্টায় আরও ৮ জন করোনা ভাইরাস ( কোভিট-১৯) রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে কাপাসিয়া উপজেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৭ জন।
এদিকে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে অনলাইন প্রেস ব্রিফিংয়ে যুক্ত হয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক নতুন করে আরও ২০৯ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন। এরমধ্যে কাপাসিয়া উপজেলায় ৯ জন তাদেরই অংশ।
কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুস সালাম সরকার ‘দৈনিক আনন্দবাজার’কে জানান, গত ২৪ ঘন্টায় কাপাসিয়া উপজেলায় নতুন করে আরও ৮ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। তবে এদের মধ্যে কাপাসিয়া উপজেলার দস্যু নারায়নপুর গ্রামের ছোঁয়া এগ্রো ইন্ডাসট্রিজ লিমিটেড কারখানায় কর্মরত শ্রমিক ৬ জন।
এ নিয়ে এই কারখানায় আক্রান্তের সংখ্যা দাড়িয়েছে ১৩ জনে। তবে নতুন আক্রান্ত ৬ জনকে আলাদা করে পূর্বে আক্রান্ত শ্রমিকদের সাথে ওই কারখানার ভেতরে তিন তলার একটি বড় কক্ষে আইসোলেশন করে সেখানে রাখা হয়েছে।
এদিকে গত (১০ এপ্রিল ) শুক্রবার ছোঁয়া এগ্রোর সুপারভাইজারের করোনা পরীক্ষার ফলাফল পজিটিভ হওয়ায় উক্ত কারখানা ও দস্যু নারায়নপুর গ্রামকে লকডাউনের আওতায় রাখা হয়েছে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আরো জানান, ছোঁয়া এগ্রোর ৬ জন শ্রমিক ছাড়াও আক্রান্ত অপর দুইজন হলেন, পূর্বে আক্রান্ত পরিবারের সদস্য, যারা আক্রান্তদের সংস্পর্শে এসেছিলেন। তারা হলো-উপজেলার কড়িহাতা ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের বাসিন্দা যিনি পূর্বে আক্রান্ত হয়েছিলেন তার স্ত্রী, অপরজন হলো-বারিষাব ইউনিয়নের ভেড়ার চালা গ্রামের বাসিন্দা যিনি পূর্বে আক্রান্ত।
তিনি গাজীপুর সিভিল সার্জন অফিসের নিরাপত্তাকর্মী। এদিকে গত শনিবার সন্ধ্যায় রামপুর ও ভেড়ার চালার দুটি বাড়িসহ আশ-পাশের কয়েকটি বাড়ি লকডাউনের আওতায় আনা হয়েছে। তিনি আরো জানান, কাপাসিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সন্দেহ ভাজন আরো ৩৩ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
আনন্দবাজার/শহক









