পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) চার ম্যাচের সিরিজে লাহোর কালান্দার্স আবারো হারের মুখে পড়ল। মুলতান সুলতানসের বিপক্ষে চোট পাওয়া পারভেজ হোসেন ইমন আজ ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে খেলতে পারেননি। তাই একমাত্র বাংলাদেশি প্রতিনিধি ছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান।
কিন্তু মুস্তাফিজ বল হাতে বিবর্ণ ছিলেন। ২ ওভারে ১৬ রান দিয়ে কোনো উইকেট নিতে পারেননি। তবে এত কম রান-লক্ষ্য নিয়েই কি করার ছিল মুস্তাফিজের? ব্যাটারদের ব্যর্থতায় লাহোর মাত্র ১০০ রানে অলআউট হয়। সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে ইসলামাবাদ ৫৮ বল এবং ৯ উইকেট হাতে রেখে সহজেই জয় পায়।
এই মরসুমের পিএসএলে লাহোরের পারফরম্যান্স অম্লমধুর। চার ম্যাচে দুটি জয়, দুটি হার, পয়েন্ট টেবিলের পাঁচ নম্বরে রয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।
করাচি ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামার পর থেকেই ইসলামাবাদের বোলারদের সামনে ভুগেছে লাহোরের ব্যাটাররা। ইমাদ ওয়াসিম, রিচার্ড গ্লিসন, ক্রিস গ্রিন ও শাদাব খানদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে টপাটপ উইকেট হারাতে থাকে তারা।
৪১ রানের মধ্যে প্রথম চার ব্যাটার আউট হওয়ার পর পঞ্চম উইকেটে ৩১ রানের জুটি গড়ে বিপর্যয় কাটানোর চেষ্টা করেন সিকান্দার রাজা ও আসিফ আলী। কিন্তু এই জুটি ভাঙার সঙ্গে সঙ্গে লাহোরের ইনিংসে মড়ক লাগে। শেষ পর্যন্ত ২৮ রানের মধ্যে শেষ ছয় উইকেট হারিয়ে দলটি গুটিয়ে যায় ১০০ রানে, যা এবারের পিএসএলে লাহোরের সর্বনিম্ন দলীয় ইনিংস।
লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে ইসলামাবাদ কোনো ঝুঁকি নেয়নি। ডেভন কনওয়ে ৩৫ বলে ৫৯, মোহাম্মদ ফাইক ১৯ বলে ৩৪**, এবং সামির মিনহাস ১১ রানে আউট হলেও দল সহজ জয় পায়।
মুস্তাফিজ ইনিংসের সপ্তম ও নবম ওভারে বোলিং করেন। প্রথম ওভারে ৭ রান, পরের ওভারে ৯ রান দেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
লাহোর কালান্দার্স: ১৮.৩ ওভারে ১০০ অলআউট (রাজা ২৫, হাসিবউল্লাহ ১৯, আসিফ ১৫; গ্রিন ৩/১৯, ইমাদ ২/১৩, গ্লিসন ২/১৩, শাদাব ২/১৮, আশরাফ ১/২১)
ইসলামাবাদ ইউনাইটেড: ১০.২ ওভারে ১০৪/১ (কনওয়ে ৫৯*, ফাইক ৩৪*, মিনহাস ৫; আফ্রিদি ১/২২)
ফল: ইসলামাবাদ ইউনাইটেড ৯ উইকেটে জয়ী
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: ক্রিস গ্রিন (ইসলামাবাদ ইউনাইটেড)।









