পটুয়াখালীর মহিপুর এলাকায় নিজেকে দন্ত ও চক্ষু বিশেষজ্ঞ পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে হারুন নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। সম্প্রতি তার কিছু আপত্তিকর ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, হারুন কোনো স্বীকৃত চিকিৎসা সনদ ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষকে চিকিৎসা দেওয়ার নামে প্রতারণা করে আসছিলেন। এরই মধ্যে ইন্টারনেটে ভাইরাল হওয়া কয়েকটি ছবিতে তাকে এক তরুণীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখা যায়। তবে ওই তরুণীর পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে এবং স্থানীয়রা তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, হারুন শুধু চিকিৎসা পেশার নামে প্রতারণাই নয়, একাধিক বিয়ে এবং অনৈতিক সম্পর্কের সঙ্গেও জড়িত ছিলেন।
তাদের দাবি, এর আগেও ভুয়া চিকিৎসক হিসেবে প্রমাণিত হয়ে তিনি কারাভোগ করেছেন। কারাগার থেকে মুক্তির পর আবারও একই ধরনের কার্যক্রম শুরু করেন তিনি। এমনকি তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধেও জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান।
অভিযুক্ত হারুন অবশ্য সব অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, তার সাবেক স্ত্রী প্রতিহিংসা থেকে এসব ছবি ছড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
মহিপুর থানার ওসি মহব্বত খান বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে, তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদিকে, পটুয়াখালী জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ খালেদুর রহমান মিয়া জানান, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে এবং দ্রুত ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।









