পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর রাজনৈতিক অঙ্গন যখন সরগরম, ঠিক তখনই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসেন টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তবে তাকে ঘিরে তৈরি হওয়া রাজনৈতিক জল্পনাকে একেবারেই উড়িয়ে দিয়েছেন এই তারকা।
ভোট গণনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে প্রসেনজিৎ স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে সম্মানের সঙ্গে অভিনয় করে আসছেন এবং ভবিষ্যতেও সেই পথেই এগিয়ে যেতে চান। তিনি লিখেছেন, আমার গায়ে কোনো রাজনৈতিক রঙ লাগাবেন না- এটাই আমার বিনীত অনুরোধ।
তিনি আরও পরিষ্কার করে জানিয়েছেন, সম্প্রতি যে ফোনালাপ নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে, সেটি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত সম্পর্কের জায়গা থেকে। প্রসেনজিৎ এর ভাষায়, আমি কাউকে ফোন করিনি। বরং আমার ছোট ভাই আমাকে ফোন করেছিল। বড় দাদা হিসেবে আশীর্বাদ করা আমার দায়িত্ব, আমি শুধু সেটুকুই করেছি।
মূলত শিবপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপি প্রার্থী রুদ্রনীল ঘোষ বিপুল ভোটে জয়ী হওয়ার পর বিষয়টি ঘিরে বিতর্কের সূত্রপাত হয়। বিজয়ের খবর তিনি নিজেই প্রসেনজিতকে জানান এবং তাদের কথোপকথন প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয় নানা জল্পনা। কেউ কেউ ধারণা করেন, তিনি হয়তো রাজনীতিতে যোগ দিতে পারেন। তবে সেই সম্ভাবনাকে সম্পূর্ণভাবে নাকচ করে দিয়েছেন অভিনেতা।
এর আগে নির্বাচনের আগেও প্রসেনজিতের পরিবারকে ঘিরে রাজনৈতিক গুঞ্জন ছড়িয়েছিল। বিশেষ করে তার ছেলে তৃষাণজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের নামে একটি ভুয়া ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়। সেখানে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে একটি ছবি ছড়িয়ে পড়ে।
পরবর্তীতে প্রসেনজিৎ নিজেই বিষয়টি পরিষ্কার করে জানান, সেটি তার ছেলের আসল প্রোফাইল নয়, বরং একটি ভুয়া অ্যাকাউন্ট থেকে তৈরি করা পোস্ট। তিনি বলেছেন, এখন সহজেই বোঝা যায় কোনটা আসল আর কোনটা সম্পাদিত ছবি। একটি ২০ বছরের ছেলেকে নিয়েও এমন ভুয়া প্রচার করা সত্যিই দুঃখজনক, এবং আমাকে জড়িয়ে বিষয়টি আরও অস্বস্তিকর হয়ে উঠেছে।









