যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, ইরান-সম্পর্কিত যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে নিজেদের অস্ত্র মজুতে চাপ তৈরি হওয়ায় ইউরোপ-এর কয়েকটি দেশে নির্ধারিত অস্ত্র সরবরাহ বিলম্বিত হতে পারে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক সূত্র জানিয়েছে, এই বিলম্বের আওতায় পড়তে পারে বাল্টিক অঞ্চল ও স্ক্যান্ডিনেভিয়ার কয়েকটি দেশ।
বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ও গোলাবারুদের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় মজুদ কমে গেছে। ফলে ইউরোপে অস্ত্র সরবরাহে দেরি হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ইরান সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরসহ বেশিরভাগ শর্তে রাজি হয়েছে এবং তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না-এমন প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে।
ইউরোপীয় কর্মকর্তারা বলেছেন, এই বিলম্ব তাদের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে। বিশেষ করে যেসব দেশ রাশিয়া সীমান্তের কাছাকাছি, তাদের জন্য এটি সংবেদনশীল বিষয়।
মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে এসব অস্ত্রের প্রয়োজন বেশি। তারা অভিযোগ করেছেন, ইউরোপীয় দেশগুলো হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে যথেষ্ট সহায়তা করছে না।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, তেহরান প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সম্মত হয়েছে।









