কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপির দেওয়া ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে কৃষক কার্ড বিতরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বাংলা নববর্ষ-১৪৩৩ উপলক্ষে দেশের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে ১৫ জন প্রান্তিক কৃষকের হাতে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেয়ার মাধ্যমে সারাদেশে প্রি-পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
বেলা ১২ টা ২২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ল্যাপটপের বাটন চাপার সঙ্গে সঙ্গে টাঙ্গাইলসহ দেশের ১১টি উপজেলার ২২ হাজার ৬৭ জন কৃষকের প্রত্যেকের কাছে মোবাইলের মাধ্যমে ব্যাংক একাউন্টে আড়াই হাজার টাকার নগদ অর্থ চলে যায়। টাঙ্গাইলে ১ হাজার ৪৫৩ জন কৃষক-কৃষাণী এই অর্থ পাবেন।
কৃষক কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে ১৫ জন কৃষক-কৃষাণী প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে সরাসরি এ কার্ড নেন। তারা হলেন- টাঙ্গাইলে মো. আবু কায়সার, মো. রোমান, শাহনুর আলম, মো. শাহ আলম, জুলেখা আখতার, নাসিমা খানম সুমনা, শিল্পী, আমেনা বেগম, নবাব আলী, মোহাম্মদ আলী, কবির হোসেন, মোছাৎ মনোয়ারা আখতার, শামীমা আখতার, লায়লা বেগম ও তাহমিনা।
এর আগে বেলা ১১টা ২০মিনিটে প্রধানমন্ত্রী শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে প্রবেশ করেন তিনি। অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছে সরাসরি মঞ্চে উঠে কৃষক-কৃষাণীদের হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী।
পরে পবিত্র কোরআর, গীতা, বাইবেল ও ত্রিপিটক পাঠের মধ্যে দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠানের মূল কার্যক্রম।
কৃষি মন্ত্রণালয় আয়োজিত এই রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে কৃষক-কৃষাণীসহ কয়েক হাজার নেতা-কর্মী ও সমর্থক সমবেত হন। পুরো স্টেডিয়ামের মাঠে এবং মঞ্চের সামনে ছাড়াও গ্যালারিতেও লোকজনের উপস্থিতি দেখা যায়।
কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিল্প বিষয়ক উপদেষ্টা ও বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ; মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু; জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) প্রতিনিধি জিয়াওকুন শি ও কৃষি সচিব রফিকুল ই মোহামেদ উপস্থিত রয়েছেন।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড- হিসেবে পরিচিত কৃষক সমাজের সরাসরি ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে পহেলা বৈশাখ থেকে টাঙ্গাইলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল তারেক রহমান ঘোষিত ঐতিহাসিক ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি।









