পহেলা বৈশাখের আগেই মাউশি এপ্রিল ২০২৬-এর বৈশাখী ভাতা প্রদান প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এই উদ্যোগে কয়েক লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারী উৎসবের আগে অর্থ পাবেন। অনলাইনে বিল জমার সুবিধা চালু হওয়ায় তাদের জন্য ভাতা পাওয়ার অনিশ্চয়তা দূর হয়েছে।
মাউশির ইএমআইএস সেল জানিয়েছে, ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) বিল সাবমিশন সফটওয়্যারে সক্রিয় করা হয়েছে। প্রোগ্রামার মো. জহির উদ্দিন বলেন, “বিল জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া সহজ এবং দ্রুত। শিক্ষক ও কর্মচারীরা নির্ধারিত সময়ে ভাতা ও বেতন পাবেন।”
যদিও বৈশাখী ভাতা প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, মার্চ মাসের নিয়মিত বেতন এখনও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পৌঁছায়নি। যাচাই-বাছাই শেষে বেতন অনুমোদনের জন্য আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি বা শেষ নাগাদ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।
বর্তমানে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে বৈশাখী ভাতা পান। তবে নবম পে-স্কেলের ২০২৬ সালের জানুয়ারি প্রতিবেদনে ৫০ শতাংশ করার সুপারিশ রয়েছে, যা চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায়।
এইভাবে, শিক্ষক ও কর্মচারীরা উৎসবের আনন্দে অংশ নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভাতা ও বেতন নিশ্চিতভাবে হাতে পাবেন।









