আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনার লক্ষ্যে আবারও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে বসছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে এ তথ্য জানা গেছে। চিঠিতে জানানো হয়, রোববার (২১ ডিসেম্বর) দুপুর আড়াইটায় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিতব্য এই সভায় অন্য চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিব উপস্থিত থাকবেন। সভায় নির্বাচনপূর্ব আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম রোধে যৌথ বাহিনীর কার্যক্রম, প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলের জন্য প্রণীত আচরণবিধি ২০২৫ অনুযায়ী আচরণবিধি প্রতিপালন, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং এ-সংক্রান্ত অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।
সভায় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর প্রধানরা ছাড়াও প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, বাংলাদেশ পুলিশের মহাপুলিশ পরিদর্শকসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা ও গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন। এর মধ্যে রয়েছে বিজিবি, কোস্টগার্ড, আনসার-ভিডিপি, র্যাব, ডিএমপি, এসবি, সিআইডি, ডিজিএফআই, এনএসআই, এনটিএমসি এবং কারা অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরা।
এর আগে নির্বাচন কমিশন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গত ২০ অক্টোবর, ২৭ নভেম্বর এবং সর্বশেষ ১৪ ডিসেম্বর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করেছে। ধারাবাহিক এসব বৈঠকের মাধ্যমে নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সাংবিধানিক সংস্থাটি।
ইসির ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ২৯ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই চলবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি এবং আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি এবং তা চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ভোট গ্রহণ।









