আগামীকাল পয়লা বৈশাখ দুপুরে টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
উদ্বোধনী দিনে তিনি টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় কৃষকদের মধ্যে এই কার্ড বিতরণ করবেন। নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে প্রি-পাইলটিং প্রকল্পের আওতায় এ কার্ড বিতরণ করতে যাচ্ছে সরকার। পয়লা বৈশাখে টাঙ্গাইল সদরসহ ১১ উপজেলায় একযোগে এ কার্যক্রম শুরু হবে।
প্রথম ধাপে এসব উপজেলার ২১ হাজার ৫০০ জন কৃষকের কাছে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ সহায়তা পৌঁছে যাবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে নেতা-কর্মী ও টাঙ্গাইলবাসীর মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। পয়লা বৈশাখ সকাল ৮টায় প্রধানমন্ত্রী ঢাকার বাসা থেকে সড়ক পথে রওনা হয়ে প্রথমেই টাঙ্গাইলের সন্তোষে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর কবর জিয়ারত করবেন।
পরে টাঙ্গাইল শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা এবং কৃষদের মাঝে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ করবেন। পরে বেলা সোয়া ১২টার দিকে টাঙ্গাইল পৌর উদ্যানে আয়োজিত ‘কৃষি মেলার’ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।
পৌনে ১টার দিকে টাঙ্গাইল সার্কিট হাউসে নামাজ আদায় শেষে ২টার দিকে সড়ক পথে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন। টাঙ্গাইল জেলা ছাড়াও একই দিনে কৃষক কার্ড পাচ্ছেন পঞ্চগড়ের কমলাপুর ও বোদা, বগুড়ার শিবগঞ্জ, ঝিনাইদহের শৈলকূপা, পিরোজপুরের নেছারাবাদ, কক্সবাজারের টেকনাফ, কুমিল্লার আদর্শ সদর, জামালপুরের ইসলামপুর, রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ ও মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার কৃষকরা।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, কৃষিনির্ভর বাংলাদেশে কৃষকদের উন্নয়নে ‘কৃষক কার্ড’ যুগান্তকারী পদক্ষেপ। তিনি বলেন, মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী কৃষক ও মেহনতি মানুষের জন্য জমিদারদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছেন।
সেই মওলানা হামিদ খান ভাসানীর জন্মভূমি টাঙ্গাইলে কৃষি কার্ড উদ্বোধন হবে, অত্যন্ত গর্বের। পয়লা বৈশাখ টাঙ্গাইল থেকে কৃষক কার্ড উদ্বোধনের পাশাপাশি দেশের আরও ৯টি স্থানে একই সময়ে এ কার্যক্রম শুরু হবে। পাইলট প্রকল্পের আওতায় দেশের ৯টি স্থানে বিতরণ করা হবে এবং পর্যায়ক্রমে দেশের সব কৃষকই এ সুবিধার আওতায় আসবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।









