২০২৬ সালের মর্যাদাপূর্ণ পুলিৎজার পুরস্কার জিতেছে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় একাধিক সংবাদমাধ্যম। এর মধ্যে রয়টার্স, নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটন পোস্ট, কানেটিকাট মিরর, শিকাগো ট্রিবিউন এবং এপিসহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এই সম্মাননা অর্জন করেছে। এবারের আসরে নিউইয়র্ক টাইমস সর্বোচ্চ তিনটি বিভাগে পুরস্কার জিতেছে। অন্যদিকে রয়টার্স জাতীয় ও বিশেষায়িত প্রতিবেদনের জন্য দুটি বিভাগে পুরস্কার অর্জন করেছে।
সাংবাদিকতার নোবেল হিসেবে খ্যাত এই পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে ১৯১৭ সাল থেকে। সাংবাদিকতা ছাড়াও সাহিত্য, সংগীত ও নাটকে বিশেষ অবদানের জন্যও এই পুরস্কার দেওয়া হয়।
জাতীয় ও বিশেষায়িত প্রতিবেদনের জন্য রয়টার্স দুটি পুরস্কার জিতেছে। এর মধ্যে একটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক প্রতিশোধমূলক অভিযানের ওপর করা প্রতিবেদনের জন্য জাতীয় প্রতিবেদন বিভাগে এবং দ্বিতীয়টি বিশেষায়িত প্রতিবেদন বিভাগে, যেখানে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে যে কীভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বৃহৎ প্রতিষ্ঠান মেটা জেনেশুনে শিশুসহ ব্যবহারকারীদের ক্ষতিকর এআই চ্যাটবট এবং প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপনের সংস্পর্শে এনেছে।
ওয়াশিংটন পোস্ট ট্রাম্প প্রশাসন এবং বিলিয়নিয়ার ইলন মাস্কের ফেডারেল সংস্থাগুলোতে ব্যাপক বাজেট কর্তনের ওপর করা প্রতিবেদনের জন্য জনসেবার মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারটি ঘরে তুলেছে।
চলতি বছর নিউইয়র্ক টাইমস তিনটি পুরস্কার জিতেছে, যার মধ্যে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের পুরস্কারটিও রয়েছে। এই পুরস্কারটি ট্রাম্প, তার পরিবার এবং তার মিত্ররা কীভাবে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে লাভবান হয়েছেন, সে বিষয়ে করা অনুসন্ধানের জন্য দেওয়া হয়েছে।
ন্যাশনাল রিপোর্টিং বিভাগে পুরস্কারজয়ীদের মধ্যে রয়টার্সের কর্মীদের, বিশেষত নেড পারকার, লিন্ডা সো, পিটার ইসলার ও মাইক স্পেকটরের নাম রয়েছে। এই পুরস্কারটি এমন একাধিক প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে দেওয়া হয়েছে, যেখানে ট্রাম্পের রাজনৈতিক শত্রুদের শাস্তি দেওয়ার জন্য সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহারের অসাধারণ প্রচেষ্টা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে।









