দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সর্বশেষ সমন্বয়ের পর বাড়ানো হয়েছে এবং আজ মঙ্গলবার (৫ মে) সেই নতুন দরেই বিক্রি হচ্ছে মূল্যবান এই ধাতু।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) গত বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় এক বিজ্ঞপ্তিতে স্বর্ণের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। এতে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা বৃদ্ধি করা হয়। সংস্থাটি জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ (পিওর গোল্ড)-এর মূল্য বৃদ্ধির কারণে নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে। ওইদিন সন্ধ্যা ৭টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়ছে ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৬১ হাজার ৬০৫ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
এর আগে, সবশেষ ৩০ এপ্রিল সকালেই দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৯ হাজার ৪৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৬০ হাজার ১৪৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকেই।
এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৬০ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৩৩ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ২৭ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।
স্বর্ণের দাম কমানো হলেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৪৮২ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৪৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৩৮৩ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৩৬ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ১৯ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ১৭ দফা। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার, আর কমেছিল মাত্র ৩ বার।









