গাজীপুরের শ্রীপুরে জবাই করা পাঁচটি ঘোড়ার মাথা, নাড়ি-ভুড়ি চামড়া ও লেজসহ আটক ডালিম মিয়াকে (৪০) ১৫ দিনের জেল দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক।এসময় তাকে ৫ হাজার টাকা অর্থদন্ড করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক শ্রীপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দন্ড পাওয়া ডালিম মিয়া গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার বেড়াইদেরচালা এলাকার শামসুদ্দিনের ছেলে।আদালতের কাছে ঘোড়ার মাংসকে গরুর মাংস বলে বিক্রি করার কথা স্বীকার করেছেন সে।
এর আগে স্থানীয় জনতা বুধবার (২৯ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাগে ৭টার দিকে শ্রীপুর পৌরসভার বেড়াইদেরচালা (২নং সিএন্ডবি) এলাকা থেকে জবাই করা পাঁচটি ঘোড়ার মাথা, নাড়ি-ভুড়ি চামড়া ও লেজসহ তাকে আটক করে।ওই রাতেই ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাকে এ দন্ড দেন ও জরিমানা আদায় করা হয়।
শ্রীপুর উপজেলা প্রাণীসম্পদ কার্যালয়ের ভেটেরিনারি সার্জন গোলাম মুরর্শেদ মুরাদ বলেছেন, ডালিম মিয়াকে জবাই করা পাঁচটি ঘোড়ার মাথা, নাড়ি-ভুড়ি চামড়া ও লেজসহ আটক করে স্থানীয় জনতা।খবরে পেয়ে প্রাণীসম্পদ অফিসের লোকজন ঘটনাস্থলেই গিয়ে আটক ব্যাক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে।
জিজ্ঞাসাবাদে ডালিম মিয়া স্বীকার করে দীর্ঘদিন ধরে তিনি ঘোড়ার মাংস গরুর মাংস বলে বিক্রি করছেন।তার সাথে আরো কয়েকজন জড়িত রয়েছে এবং দুইজন ঘোড়া জবাইয়ের পর মাংস নিয়ে চলে গেছে।
মাথা, নাড়ি-ভুড়ি চামড়া ও লেজ প্লাস্টিকের বস্তায় ফেলে দেওয়ার প্রস্তুতির সময় স্থানীয় জনতা তাঁকে আটক করেন। পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইনে আটক ডালিম মিয়াকে ১৫ দিনের জেল এবং ৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।ঘোড়ার মাথা ও অন্যান্য অংশ মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে। জড়িত অন্যান্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন আছে।









