২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র ৪০ দিন বাকি। কিন্তু এত বড় আসরের ঠিক আগে অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছে ইরান জাতীয় ফুটবল দল। সময় যত ঘনিয়ে আসছে, পরিস্থিতি ততই জটিল হয়ে উঠছে।
এই অচলাবস্থা কাটাতে খুব শিগগিরই ইরান ফুটবল ফেডারেশনের শীর্ষ কর্মকর্তারা ফিফার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন। ধারণা করা হচ্ছে, এই বৈঠকেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বিশ্বকাপে ইরান খেলবে কি না।
গত বৃহস্পতিবার কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে অনুষ্ঠিত ফিফা কংগ্রেসে ইরানের প্রতিনিধিদের উপস্থিত থাকার কথা ছিল। তবে টরন্টো বিমানবন্দরে কানাডিয়ান ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের ‘অগ্রহণযোগ্য আচরণের’ অভিযোগ তুলে তারা দেশে ফিরে যান। এতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ইরান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মেহদী তাজ জানিয়েছেন, ফিফার সঙ্গে তাদের অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা বাকি রয়েছে এবং দ্রুতই তারা বৈঠকে বসবেন।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ফিফার মহাসচিব ইরানি প্রতিনিধিদলকে আগামী ২০ মের মধ্যে সুইজারল্যান্ডের জুরিখে ফিফার সদর দপ্তরে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকেই দেশটির বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। সেই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রে খেলতে অস্বীকৃতি জানিয়ে ভেন্যু পরিবর্তনের জন্য ফিফার কাছে আবেদনও করে ইরান। তবে সেই আবেদন গ্রহণ করেনি বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো একাধিকবার জানিয়েছেন, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ইরান বিশ্বকাপে অংশ নেবে এবং যুক্তরাষ্ট্রেই খেলবে।
এশিয়া অঞ্চলের বাছাইপর্ব থেকে সরাসরি বিশ্বকাপের টিকিট পেয়েছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই আসরে ‘জি’ গ্রুপে রয়েছে তারা।
সূচি অনুযায়ী, আগামী ১৬ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করবে ইরান। এরপর ২১ জুন একই ভেন্যুতে বেলজিয়ামের মুখোমুখি হবে তারা। আর ২৭ জুন সিয়াটলে তাদের প্রতিপক্ষ মিসর।









