মিরপুর থেকে লড়াই এবার বন্দরনগরী চট্টগ্রামে। বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের শেষ ও অঘোষিত ‘ফাইনাল’ আজ। ২০২৭ বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার স্বপ্ন জিইয়ে রাখতে বাংলাদেশের জন্য এই ম্যাচের গুরুত্ব অপরিসীম। তবে মাঠের লড়াইয়ের আগে চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে আবহাওয়া ও পিচ নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।
স্টেডিয়াম এলাকায় তীব্র পানিসংকটের প্রভাব পড়েছে খেলার মাঠে। ওয়াসা থেকে নিয়মিত পানি না পাওয়ায় এবং বৃষ্টির অভাবে মাঠের ঘাস শুকিয়ে কোথাও বাদামি, কোথাও ধূসর বর্ণ ধারণ করেছে। তবে আউটফিল্ড বিবর্ণ হলেও উইকেটে ঘাসের ছোঁয়া রয়েছে। যদিও জহুর আহমেদের এই উইকেট ঐতিহ্যগতভাবেই ব্যাটারদের স্বর্গরাজ্য হিসেবে পরিচিত। ২০২২ সালে এখানে ভারতের ৪০০ রান তোলার স্মৃতি এখনো টাটকা। পেস বোলিং কোচ শন টেইটের মতে, ঘাস থাকলেও উইকেটের ব্যাটিং সহায়ক চরিত্র খুব একটা বদলায়নি।
সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে ব্যাটাররা প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারলেও বোলাররা ছিলেন উজ্জ্বল। বিশেষ করে পেসাররা। প্রথম ম্যাচে শরীফুল ইসলাম এবং দ্বিতীয় ম্যাচে নাহিদ রানার বিধ্বংসী বোলিং কিউইদের কাঁপিয়ে দিয়েছিল। পরিসংখ্যানেও দেখা যায়, গত ৪ বছরে এই মাঠে বাংলাদেশের নেওয়া ৬৫টি উইকেটের মধ্যে ৪০টিই শিকার করেছেন পেসাররা। আজ রিশাদ হোসেন ও মেহেদী হাসান মিরাজের স্পিন জোড়ির চেয়েও স্বাগতিকরা বেশি তাকিয়ে থাকবে পেস ইউনিটের দিকেই।
বাংলাদেশের জন্য সুখবর হলো, চোট কাটিয়ে বোলিং অনুশীলনে ফিরেছেন মোস্তাফিজুর রহমান। কোচ শন টেইট তাকে খেলার জন্য প্রস্তুত বলে ঘোষণা দিয়েছেন। অন্যদিকে, গতির ঝড় তোলা নাহিদ রানা কি আজ বিশ্রাম পাবেন? টেইটের রসিকতাপূর্ণ মন্তব্য, নাহিদ না খেললে প্রতিপক্ষই বরং খুশি হবে। সিরিজের এই মরণ-বাঁচন ম্যাচে নাহিদকে ছাড়াই মাঠে নামার ঝুঁকি দল নেবে না বলেই আভাস পাওয়া গেছে।
তারকাখচিত ক্রিকেটারদের ছাড়াই বাংলাদেশে আসা নিউজিল্যান্ড দলটি সিরিজ জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী। সফরকারী বোলার উইল ও’রুর্কের মতে, বাংলাদেশে সিরিজ জেতা তাদের জন্য দারুণ গর্বের বিষয় হবে এবং সবাই নিজেদের সর্বোচ্চটা দিয়েই চেষ্টা করবে।









