মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ীতে বজ্রপাতে নিহত যুবক আরাফাত খানের কবর দাফনের পর থেকেই প্রতিরাতে পাহারা দিচ্ছে তার পরিবার। কবরের নিরাপত্তা শঙ্কা থেকে এমন উদ্যোগ নিয়েছে নিহতের স্বজনরা।
গতকাল মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার কামারখাড়া সামাজিক কবরস্থানে আরাফাতের কবরের পাশে বসে আছেন তার বাবা জসিম খান। সন্তানের কবর অক্ষত রাখা এবং লাশ চুরির শঙ্কা থেকেই তিনি রাতভর পাহারা দিচ্ছেন।
গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বজ্রপাতে আরাফাত খান এবং রিজান ঢালী নামে দুই কিশোরের মৃত্যু হয়।
আরাফাতের বাবা জসিম খান বলেন, ‘আমার ছেলে দর্জির কাজ করে সংসার চালাত। গরুর জন্য ঘাস আনতে গিয়ে বজ্রপাতে তার মৃত্যু হয়। অনেকের মুখে শুনেছি, বজ্রপাতে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের লাশ চুরির ঘটনা ঘটে, ওই ভয় থেকেই কবর পাহারা দিচ্ছি।’
তিনি বলেন, ‘আমি অসুস্থ, সবসময় থাকতে পারি না। ঋণ করে লোক রেখে কবর পাহারা দিতে হচ্ছে। নিজের সংসারই ঠিকমতো চালাতে পারছি না, তবুও ছেলের কবর রক্ষায় প্রতিদিন খরচ করতে হচ্ছে। প্রশাসন যদি কবর পাহারার ব্যবস্থা করত, তাহলে কিছুটা শান্তি পেতাম।’
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহামিনা আক্তার জানান, ‘নিহতের পরিবারের মাঝে আর্থিক সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে। কবর পাহারায় প্রহরীর ব্যবস্থা করা হবে।’
-নয়ন









