বিদ্যুৎ উৎপাদনে ঘাটতির কারণে সরকার লোডশেডিং করতে বাধ্য হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি জানিয়েছেন, পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজধানী ঢাকায় পরীক্ষামূলকভাবে লোডশেডিং চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের কৃষি খাতে সেচ কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে এবং শহর-গ্রামের বিদ্যুৎ বৈষম্য কমাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, “গ্রামের কৃষকরা যেন বিদ্যুতের অভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সেটি নিশ্চিত করতেই ঢাকায় পরীক্ষামূলক লোডশেডিং করা হচ্ছে।”
তিনি আরও জানান, বুধবার (২২ এপ্রিল) দেশে বিদ্যুতের মোট চাহিদা ছিল ১৬ হাজার মেগাওয়াট, অথচ উৎপাদন হয়েছে ১৪ হাজার ১২৬ দশমিক ৩৫ মেগাওয়াট। ফলে প্রায় ২ হাজার ৮৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতি দেখা দিয়েছে, যা সামাল দিতে লোডশেডিং অনিবার্য হয়ে পড়েছে।
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় রাজনৈতিক ঐক্যের কথাও তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকারি ও বিরোধী দল উভয়েই বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছে এবং ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
তিনি জানান, এই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী একটি ১০ সদস্যের কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন, যা দেশের জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান খুঁজে বের করতে কাজ করবে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গেও আলোচনা করে পরামর্শ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।









