খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। রবিবার দুপুরে উপজেলা সদরের জিয়া স্কোয়ার ও মোল্লাপাড়া ব্রিজ এলাকায় দুই দফায় সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত চারজন আহত হয়েছেন।
আজ রবিবার ১টার দিকে জিয়া স্কোয়ার এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।
আহতদের মধ্যে জামায়াতের পানছড়ি উপজেলা আমির জাকির হোসেন রয়েছেন, যিনি মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়েছেন। এছাড়া মোল্লাপাড়া ব্রিজ এলাকায় জামায়াতের উল্টাছড়ি ইউনিটের সভাপতি সৈয়দ মজনুর ওপরও হামলার ঘটনা ঘটে। তাকেও গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জামায়াতের জেলা সেক্রেটারি মিনহাজুর রহমান অভিযোগ করেন, দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে জিয়া স্কোয়ার এলাকায় কিছু যুবক অতর্কিতভাবে জাকির হোসেনের ওপর হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে একই ধারাবাহিকতায় মোল্লাপাড়া ব্রিজ এলাকায় আরেকটি হামলার ঘটনা ঘটে।
তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পানছড়ি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. ইউছুপ আলী। তিনি দাবি করেন, বাজারের যানজটকে কেন্দ্র করে জামায়াত নেতা জাকির হোসেন ও বিএনপি নেতা আল আমিনের মধ্যে প্রথমে বাগবিতণ্ডা হয়। পরবর্তীতে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে বিএনপির দুই কর্মী উজ্জ্বল ও আশরাফুলও আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, এটি কোনো দলীয় সংঘর্ষ নয়, বরং বাজারে উপস্থিত ব্যবসায়ীদের মধ্যে ব্যক্তিগত বিরোধ থেকেই ঘটনার সূত্রপাত।
আহতদের মধ্যে জাকির হোসেনকে পানছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত সৈয়দ মজনুকে খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
এ বিষয়ে পানছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফেরদৌস ওয়াহিদ জানান, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি।
বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ, যদিও ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ বিরাজ করছে।









