দেশের জাতীয় দিবসের তালিকায় বড় পরিবর্তন এনে সরকার ঘোষণা দিয়েছে প্রতি বছর ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ এখন থেকে রাষ্ট্রীয়ভাবে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে পালিত হবে। এ লক্ষ্যে দিনটিকে সরকার নির্ধারিত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবসগুলোর তালিকায় ‘ক’ শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা দিবসটির গুরুত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা একটি নতুন পরিপত্রের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়। এর ফলে ৭ নভেম্বর শুধু একটি স্মরণীয় দিন হিসেবেই নয়, বরং সরকারি ছুটিসহ একটি পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রীয় দিবস হিসেবে উদযাপিত হবে। দীর্ঘদিন পর এই সিদ্ধান্ত দেশের রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
সম্প্রতি সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. নাসিমুল গণি সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে জানান, সরকার ৭ নভেম্বরকে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তিনি বলেন, গত ১৬ বছর ধরে এই দিবসটি রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত হয়নি। তবে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে প্রতি বছর এই দিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদযাপন করা হবে এবং সরকারি ছুটিও থাকবে। ফলে দিবসটি ঘিরে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে, একই সিদ্ধান্তে ৬ জুলাইকে ‘পল্লী উন্নয়ন দিবস’ হিসেবে পালন করার বিষয়টিও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তবে এই দিনটিতে কোনো সরকারি ছুটি থাকবে না বলে জানানো হয়েছে।
সরকারের এই পদক্ষেপকে অনেকে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন, যা দেশের জাতীয় দিবসগুলোর গুরুত্ব ও পরিধিকে আরও বিস্তৃত করবে।









