মহান মে দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সমাবেশ থেকে দেশের শ্রমজীবী মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি জানিয়েছেন, বিগত কয়েক বছরে বন্ধ হয়ে যাওয়া বিভিন্ন কলকারখানা পুনরায় চালু করা হবে, যাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পায় এবং শ্রমিকদের জীবনমান উন্নত হয়।
শুক্রবার (১ মে) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির শ্রমিক সংগঠন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সভাপতি আনোয়ার হোসেইন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে অতীতের শাসনামলের সমালোচনা করে বলেন, স্বৈরাচারী শাসনামলে শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, সেই সময়ে দেশের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে এবং অর্থনীতিকে লুটপাটের মহোৎসবে পরিণত করা হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, শুধু হকার উচ্ছেদ করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। বরং তাদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে, যাতে তারা সম্মানের সঙ্গে জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন।
শ্রমজীবী মানুষের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “খেটে খাওয়া মানুষ ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে।” তার এই বক্তব্যকে শ্রমিকদের জন্য আশাব্যঞ্জক বার্তা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। বন্ধ কারখানা চালু হলে কর্মসংস্থান বাড়বে এবং দেশের অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।









