১৯৭১ সালের জামায়াত আর এখনকার জামায়াত এক না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি জানান, বহুবার জামায়াতে ইসলামীর গঠনতন্ত্র নীতি পদ্ধতি বদল হয়েছে।
শুক্রবার (১ মে) সকালে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে শ্রমিক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কুমিল্লা মহানগর শাখা এ সমাবেশের আয়োজনে করে।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, পাকিস্তান আমলে সেই সময়কার রাজনেতিক প্রেক্ষাপটে তখনকার যারা রাজনৈতিক দল, রাজনৈতিক পলিসি ভূমিকার ব্যাপারে অনেক আলোচনা বিতর্ক হতে পারে। তার অর্থ এই না স্বাধীনতার পর অনেক কিছুর পরিবর্তন হয়েছে।
তিনি জানান, আমাদের গঠনতন্ত্র পড়ে দেখবেন ভূমিকাতেই রুকন হওয়ার শর্তের মধ্যেই আমরা বলেছি, মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের এই লড়াই সংগ্রামকে আমরা শ্রদ্ধার সঙ্গে ধারণ করেছি, সম্মান করেছি। জামায়াতের সদস্য পদ লাভ করতে গেলে এদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আত্মত্যাগের স্বীকৃতি না দিলে তিনি এর সদস্য হতে পারবেন না।
মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও জানিয়েছে, সংসদের সমাপনী অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যে একই সুর আমাদের আশান্বিত করেছে। আমরা এখন সামনে যেতে চাই। তাহলেই আমরা নতুন প্রজন্মকে একটা নতুন ইতিহাস দিয়ে যেতে পারবো।
জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (সংশোধনী) বিল-২০২৬ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের সংজ্ঞা প্রসঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও আমরা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলাম। এই বিলের মধ্যে বেড ইনটেনশন আছে। এটা সংশোধন করা উচিত। এটা দেশের মানুষকে বিভক্ত করার রাজনীতিতে যে অপশক্তি তৎপর আছে তাদেরই অপতৎপরতার ফল হিসেবে এটাকে রাখা হয়েছে। এত সাংবিধানিক পরিবর্তনের পরও একটা মহল যখন এ বিতর্ক জিইয়ে রাখতে চান। এটা দেশপ্রেম স্বাধীনতার প্রেম না। এটা হচ্ছে জাতিকে বিভক্ত করার একটি বিদেশি ষড়যন্ত্রের অংশ। এই দুরভিসন্ধি থেকে জাতিকে বেরিয়ে আসতে হবে।









