চরিত্রের প্রয়োজনে অনেক সময় ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করতে হয় তারকাদের। তবে বলিউড ও দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রির এমন অনেক জনপ্রিয় অভিনেতা-অভিনেত্রী আছেন, যাঁরা অনস্ক্রিন চুম্বন দৃশ্যে অভিনয় করতে অনীহা প্রকাশ করেছেন বা ‘নো কিসিং পলিসি’ মেনে চলেন।
কাজল: দীর্ঘদিনের ‘নো কিসিং’ নীতি ভাঙলেন
অভিনেত্রী কাজল দীর্ঘ ক্যারিয়ারে চুম্বন দৃশ্য এড়িয়ে চললেও সম্প্রতি এক প্রজেক্টে চরিত্রের প্রয়োজনে সেই নীতি ভাঙেন। তাঁর মতে, দৃশ্যটি গল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল এবং চরিত্রকে পূর্ণতা দিতে এটি অপরিহার্য ছিল।

শাহরুখ খানেরও নাকি চুম্বন দৃশ্যে আপত্তি ছিল। ২০১২ সালে অবশ্য নীতি বদল করেন। যশ চোপড়ার ‘যব তক হ্যায় জান’ ছবিতে ঘনিষ্ঠ চুম্বন দৃশ্যে দেখা গিয়েছে তাঁকে। এএফপি
তামান্না ভাটিয়া: চিত্রনাট্যের কারণে সিদ্ধান্ত বদল
১৮ বছরের বেশি সময় ধরে ‘নো কিসিং’ নীতি মেনে চললেও তামান্না ভাটিয়া পরে ‘লাস্ট স্টোরিজ ২’-এ চুম্বন দৃশ্যে অভিনয় করেন। তাঁর দাবি, এটি ছিল সম্পূর্ণ চিত্রনাট্যনির্ভর সিদ্ধান্ত।

সালমান খান: এখনো একই অবস্থানে
বলিউড সুপারস্টার সালমান খান এখনো পর্যন্ত পর্দায় চুম্বন দৃশ্যে অভিনয় করেননি। তাঁর মতে, ব্যক্তিগত অস্বস্তি ও পারিবারিক মূল্যবোধের কারণে তিনি এমন দৃশ্যে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না।

সোনাক্ষী সিনহা: দৃঢ় অবস্থান
অভিনেত্রী সোনাক্ষী সিনহাও জানিয়েছেন, তিনি অনস্ক্রিন চুম্বন দৃশ্যে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। এমনকি এই সিদ্ধান্তের কারণে সুযোগ হারালেও তিনি অবস্থান পরিবর্তন করবেন না।

ববি দেওল: সেটে অস্বস্তি
ববি দেওলও প্রকাশ্যে এমন দৃশ্যে অস্বস্তি বোধ করার কথা জানিয়েছেন। যদিও কিছু প্রজেক্টে দৃশ্য থাকলেও পরবর্তী সময়ে তা বাদ দেওয়া হয়েছে।

রীতেশ দেশমুখ: নির্দিষ্ট শর্তে রাজি
রীতেশ দেশমুখ সাধারণত ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে আপত্তি জানান। তবে নিজের স্ত্রী জেনেলিয়া ডিসুজার সঙ্গে একটি ছবিতে তিনি এমন দৃশ্যে অভিনয় করেছেন।

সাই পল্লবী: লজ্জা থেকেই দূরে থাকা
দক্ষিণী অভিনেত্রী সাই পল্লবী জানিয়েছেন, তিনি অনস্ক্রিন চুম্বন দৃশ্যে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না এবং লজ্জার কারণে এমন দৃশ্য এড়িয়ে চলেন।
বলিউড ও দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রিতে অনেক তারকাই আছেন, যাঁরা ব্যক্তিগত মূল্যবোধ, অস্বস্তি বা চিত্রনাট্যের ব্যাখ্যার কারণে অনস্ক্রিন ঘনিষ্ঠ দৃশ্য থেকে দূরে থাকেন—আবার কেউ কেউ প্রয়োজন অনুযায়ী অবস্থান বদলান।










