চলমান ওয়ানডে সিরিজের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে ব্যাট হাতে ইনিংসের শুরুতে ধাক্কা খেলেও ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। নির্ধারিত ৫০ ওভার ব্যাটিং করে স্বাগতিকদের দলীয় সংগ্রহ ২৬৫ রান, হারিয়েছে ৮টি উইকেট। সিরিজ জিততে নিউজিল্যান্ডের প্রয়োজন ২৬৬ রান।
লড়াকু এই সংগ্রহের মূল কারিগর দুই টাইগার ব্যাটার নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাস। চতুর্থ উইকেটে তাদের ১৬০ রানের জুটিই বাংলাদেশকে ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করেছে। শান্ত তুলে নিয়েছেন নিজের সেঞ্চুরি, লিটনও ৭৬ রানের দায়িত্বশীল এক ইনিংস খেলেছেন।
ব্যাটিং বিপর্যয় কাটিয়ে দলের হাল বেশ ভালোভাবেই ধরেছিলেন শান্ত-লিটন জুটি। শান্তর সেঞ্চুরির পর লিটনও ছিলেন আগ্রাসী মনোভাবে, সেঞ্চুরির পথেই এগোচ্ছিলেন। তবে কিউই স্পিনার জেইডেন লেনক্সের ওভারে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফিরেন তিনি।
ওয়ানডে ক্রিকেটে এটি ছিল শান্তর চতুর্থ সেঞ্চুরি। সবশেষ এই চট্টগ্রামেই মাটিতেই ২০২৪ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শতকের দেখা পেয়েছিলেন তিনি। আগের ম্যাচেও ফিফটি করেছিলেন এই টাইগার ব্যাটার।
অন্যদিকে ১৯ ইনিংস পর ওয়ানডে ফরম্যাটে ফিফটির দেখা পেয়েছেন লিটন। এটি ছিল তার ১৩তম ফিফটি।
এর আগে পাওয়ার প্লেতেই প্রথম তিন ব্যাটারকে হারায় বাংলাদেশ। ব্যাটিং বিপর্যয় থেকে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে দল।
শান্ত-লিটন ছাড়াও অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ খেলেছেন ১৮ বলে ২২ রানের ছোট ইনিংস। আরেক ব্যাটার তাওহিদ হৃদয় ২৯ বলে ৩৩ রানে অপরাজিত থেকেছেন।
টার্গেট তাড়া করতে নেমে নিউজিল্যান্ড শুরুটা কিছুটা ধীরগতিতে করে। ১৩.৩ ওভার শেষে কিউইদের সংগ্রহ ২ উইকেটে ৫৪ রান। জয়ের জন্য তাদের প্রয়োজন ৫০ ওভারে ২৬৬ রানের লক্ষ্য পূরণে বাকি ৩৬.৩ ওভারে ২১২ রান।
বর্তমান পরিস্থিতিতে নিউজিল্যান্ডের রান রেট দাঁড়িয়েছে ৪.০০, যেখানে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান রেট ৫.৮০। অর্থাৎ ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ এখনও পুরোপুরি কোনো দলের হাতে যায়নি।
শেষ পাঁচ ওভারে নিউজিল্যান্ড ২৬ রান তুলেছে ১ উইকেট হারিয়ে, যা তাদের ইনিংস কিছুটা স্থিতিশীল করেছে। তবে এখনো বড় চাপ রয়েছে কিউই ব্যাটসম্যানদের ওপর।
ম্যাচ বিশ্লেষণে দেখা যায়, জয়ের সম্ভাবনায় বাংলাদেশ কিছুটা এগিয়ে রয়েছে ৫৮.৪০%, অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডের সম্ভাবনা ৪১.৬০%।
চট্টগ্রামের এই ম্যাচে শেষ পর্যন্ত জয় কার হবে, তা নির্ধারণ করবে পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটিং ও বোলিং লড়াই।
সরাসরি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।









