প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া নির্ধারিত বিধি-বিধান অনুসরণ করে স্বাভাবিক গতিতেই চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপ যথাযথভাবে সম্পন্ন করে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হবে বলেও জানান।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে শাহবাগে আন্দোলনরত সুপারিশপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষকদের সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল মন্ত্রণালয়ে সাক্ষাৎ করতে গেলে প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান।
এর আগে সকাল থেকে নিয়োগ ও পদায়নের দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ জাদুঘরের সামনে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি শুরু করেন সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের একাংশ।
আন্দোলনকারীদের একজন ও সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী মোহাম্মদ আরিফ জানান, ফল প্রকাশের আড়াই মাস পেরিয়ে গেছে। কিন্তু এখনও নিয়োগ বা পদায়নের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কোনও কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন।
চলতি বছর ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১টি জেলায় ১ হাজার ৪০৮টি কেন্দ্রে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ২১ জানুয়ারি লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থীর ফল প্রকাশ করা হয়। পরে মৌখিক পরীক্ষা শেষে ফেব্রুয়ারি মাসে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে চূড়ান্ত সুপারিশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর।









