গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহে শরীর সুস্থ রাখতে চাইলে খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন শসা।সহজলভ্য, সস্তা এবং পুষ্টিগুণে ভরপুর এই সবজিটি গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে যেমন সহায়ক, তেমনি পানিশূন্যতা রোধেও কার্যকর।
বাংলাদেশের ঘরে ঘরে ভাত, রুটি কিংবা মুড়ির সঙ্গে কয়েক টুকরো শসা খাওয়ার অভ্যাস অনেক পুরোনো।তবে পুষ্টিবিদরা বলছেন, শসা খাওয়ার সঠিক নিয়ম জানা না থাকলে এর পূর্ণ উপকার পাওয়া যায় না।
শসায় প্রায় ৯৫ থেকে ৯৬ শতাংশ পানি থাকে।ফলে এটি শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে এবং অতিরিক্ত গরমে ক্লান্তি কমায়।এছাড়া শসায় রয়েছে ভিটামিন সি, বিটা-ক্যারোটিন ও বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।
শুধু তাই নয়, শসায় থাকা ফাইবার হজমে সাহায্য করে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং কম ক্যালোরির কারণে ওজন নিয়ন্ত্রণেও ভূমিকা রাখে।
অনেকেই শসা খাওয়ার আগে এর খোসা ছাড়িয়ে ফেলেন।বিশেষজ্ঞদের মতে, এটিই সবচেয়ে বড় ভুল।কারণ শসার খোসাতেই থাকে বেশি ফাইবার, সিলিকা, ভিটামিন কে এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।
খোসা ফেলে দিলে শসার পুষ্টিগুণের বড় অংশই নষ্ট হয়ে যায়।তাই সম্ভব হলে খোসাসহ শসা খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
খোসাসহ শসা খেলে হজমশক্তি ভালো থাকে এবং অন্ত্রের কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়।পাশাপাশি এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের প্রদাহ কমাতে এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেস হ্রাস করতে সাহায্য করে।
শসা খাওয়ার আগে অবশ্যই ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে।প্রয়োজনে হালকা গরম পানি ও নরম ব্রাশ দিয়ে খোসা পরিষ্কার করা যেতে পারে।এরপর দুই প্রান্ত কেটে সামান্য লবণ ছিটিয়ে খেলে স্বাদ বাড়ার পাশাপাশি শরীরের ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্য বজায় রাখতেও সহায়ক হতে পারে।
তীব্র গরমে সুস্থ থাকতে চাইলে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় শসা রাখতে পারেন।তবে খোসা ফেলে নয়, পরিষ্কার করে খোসাসহ খেলে মিলবে এর আসল উপকার।









